Nakshi Kantha Paragraph For All Classes (JSC/SSC/HSC)

Nakshi Kantha Paragraph For All Classes (JSC/SSC/HSC)

 

Nakshi Kantha Paragraph

Nakshi Kantha Paragraph For All Classes (JSC/SSC/HSC) For Class 8

Nakshi Kantha is an essential part of us. It carries the identity of our folk culture. During monsoons, rural women use their imagination to create designs on old or new cloth and present their beautiful images through needlework, which is appreciated by people from different walks of life, including Bangladesh and West Bengal. A Nakshi Kantha takes about 6 months to sew and hide a family's happiness, sadness, laughter, tears, union, resentment, anger, and compassion. A Nakshi Katha can usually be of different colours and is usually designed by needle threading. Rural types of nakshi kantha are available at home and are sold at good prices in cities. Our beloved poet Jasim Uddin composed Nakshikantha Math, hence it is considered a great work of Bengali literature. Currently, our country is able to earn foreign exchange due to the commercial production of Nakshi Kantha. Currently, this Nakshi Kantha is being exported to many countries, thus it is playing a special role in our economy. But rural women are benefiting from this Nakshikatha business and they are increasing their self-employment. It is currently being produced commercially in Bangladesh. It is because of Bengali.


নকশী কাথাঁ অনুচ্ছেদ সব ক্লাসের জন্য

নকশি কাঁথা এক ধরনের এমব্রয়ডারি করা কাপড়, সংস্কৃতিকে বলা হয় সমাজ বা জাতির কাছে গৌণ, বাংলাদেশী সংস্কৃতি খুবই সমৃদ্ধ। 'নকশী কাঁথা' আমাদের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নামটি এসেছে বাংলা শব্দ 'নকশা' থেকে। এটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের এক ধরনের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প বা শিল্প। এটি বহু শতাব্দী ধরে বাংলার একটি জনপ্রিয় হস্তশিল্প। বিখ্যাত কবি জসীমউদ্দীন ১৯২৯ সালে 'নকশী কাঁথার মঠ' নামে একটি জনপ্রিয় কবিতা লেখেন। বিখ্যাত কবিতাটি প্রকাশের পর "নকশী কাঁথা" নামটি আরও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ঐতিহ্যবাহী নকশি কাঁথা পারিবারিক ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। নকশি কাঁথা তৈরিতে পুরনো বা নতুন কাপড় ও রঙিন সুতো ব্যবহার করা হয়। ময়মনসিংহ। জামালপুর, রাজশাহী, ফরিদপুর, বগুড়া ও যশোর এই কারুশিল্পের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত। আজ এটি শহরগুলিতে অনেক হস্তশিল্পের দোকানে বিক্রি হয়। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশেই এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপকভাবে সহায়তা করে কারণ প্রতি বছর বাংলাদেশ নকশি কাঁথা রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। সুতরাং, বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য আমাদের এই নৈপুণ্য সম্পর্কে আরও সতর্ক হওয়া উচিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Be alert before spamming comments.

নবীনতর পূর্বতন

Sponsored

Responsive Ad