বাংলা ব্যাকরণ কাকে বলে ? ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয় - বাংলা ২য় পত্র

বাংলা ব্যাকরণ কাকে বলে ?  ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয় - বাংলা ২য় পত্র What is Bengali grammar?

 

বাংলা ব্যাকরণ কাকে বলে ?  ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয় - বাংলা ২য় পত্র

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আশা করি তোমরা ভাল আছ  । তোমাদের জন্য আজকে নিয়ে এলাম বাংলা ব্যাকরণ কিছু অংশ । তো আশা করব তোমাদের আজকের পোস্টটি অনেক ভাল লাগবে । তোমরা যারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছ তাদের জন্য আজকের পোস্ট হবে সোনায় সোহাগা । বিসিএস বা ভর্তি পরীক্ষায় এই পাঠ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ।

ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়

ব্যাকরণ: ব্যাকরণ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায়- বি+আ+কৃ+অন = ব্যাকরণ।

যে শাস্ত্রে কোনো ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন প্রকৃতি ও স্বরূপের বিচার বিশ্লেষণ করা হয় এবং বিভিন্ন উপাদানের সম্পর্ক নির্ণয় ও প্রয়োগবিধি বিশদভাবে আলোচিত হয়, তাকে ব্যাকরণ বলে।

[বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(নবম-দশম শ্রেণী); মুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী]

সুতরাং, যে শাস্ত্রে বাংলা ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন প্রকৃতি ও স্বরূপের বিচার বিশ্লেষণ করা হয় এবং বিভিন্ন উপাদানের সম্পর্ক নির্ণয় ও প্রয়োগবিধি বিশদভাবে আলোচিত হয়, তাকে বাংলা ব্যাকরণ বলে।

ব্যাকরণ পাঠের প্রয়োজনীয়তা :

১. ভাষার বিভিন্ন উপাদানের গঠন-প্রকৃতি জানা

২. ভাষার বিভিন্ন উপাদানের সুষ্ঠু ব্যবহার করা

৩. ভাষা ব্যবহারের সময় শুদ্ধাশুদ্ধি নির্ণয় করতে পারা


বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় :

প্রতিটি ভাষারই ৪টি মৌলিক অংশ থাকে- ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ। আর তাই সব ভাষার ব্যাকরণই প্রধানত এই ৪টি অংশ নিয়েই আলোচনা করে। অর্থাৎ, ব্যাকরণের বা বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয়/ অংশ ৪টি-

১. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology)

২. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology)

৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax)

৪. অর্থতত্ত্ব (Semantics)

এছাড়াও ব্যাকরণে আরো বেশ কিছু বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- অভিধানতত্ত্ব(Lexicography), ছন্দ ও অলংকার, ইত্যাদি।

নিচে বাংলা ব্যাকরণের এই ৪টি মূল বিষয় সংশ্লিষ্ট কিছু সংজ্ঞা দেওয়া হলো : ধ্বনি: কোন ভাষার উচ্চারণের ক্ষুদ্রতম এককই হলো সেই ভাষার ধ্বনি। ধ্বনি ভাষার মূল উপাদান।

ধ্বনিমূল: ধ্বনির সূক্ষ্মতম মৌলিক অংশকে বা একককে বলা হয় ধ্বনিমূল বা phoneme। এই ধ্বনিমূল বা phoneme থেকেই ধ্বনিতত্ত্বের নাম হয়েছে Phonology।

বর্ণ: বিভিন্ন ধ্বনিকে লেখার সময় বা নির্দেশ করার সময় যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে বর্ণ বলে।

শব্দ: একটি ধ্বনি বা একাধিক ধ্বনি একত্রিত হয়ে যখন কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন সেই ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে। বাক্যের মূল উপাদান শব্দ।

রূপ: শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশকে বলা হয় রূপ বা morpheme। রূপ শব্দের ক্ষুদ্রতম একক। এই রূপ বা morpheme থেকেই শব্দতত্ত্বের নাম হয়েছে রূপতত্ত্ব বা Morphology।

বাক্য: কতোগুলো পদ সুবিন্যস্ত হয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করলে তাকে বাক্য বলে। ভাষার মূল উপকরণ বাক্য ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Be alert before spamming comments.

নবীনতর পূর্বতন

Sponsored

Responsive Ad