বিশ্বে প্রায় কতজন মুসলিম বিজ্ঞানী ছিলো তা কি আমরা জানি?

বিশ্বে প্রায় কতজন মুসলিম বিজ্ঞানী ছিলো তা কি আমরা জানি?


বিশ্বের মুসলিম বিজ্ঞানীর সংখ্যা ০ জন।মুসলমানরা বিজ্ঞানী হতে পারে না,তারা তাবুতে থাকা যাযাবর গোষ্ঠী,যারা জিহাদ,জঙ্গিবাদে জড়িত।সঞ্জয়লীলা বনশালীর "পদ্মবৎ" এ খিলজিকে দেখেননি?কিভাবে তার ধর্ষণ থেকে বাঁচতে জহরব্রত করেন রাণী? উৎস- কোরা

দুইজন রসায়নে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী মুসলিম(টেরোরিস্ট?)

১। Aziz Sancer: তুর্কি বংশোদ্ভূত এই বিজ্ঞানী DNA Pair নিয়ে গবেষণার জন্য নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত হন।

২।Ahmed Hassan Zewail: মিশরে জন্ম নেয়া এ বিজ্ঞানী Femtochemistry- তে অবদান রাখার জন্য রসায়নে নোবেল জয় করেন।তাকে Father of Femtochemistry বলা হয়। উৎস- কোরা

Femtochemistry - Wikipedia
Femtochemistry is the area of physical chemistry that studies chemical reactions on extremely short timescales (approximately 10 −15 seconds or one femtosecond , hence the name) in order to study the very act of atoms within molecules (reactants) rearranging themselves to form new molecules (products). In a 1988 issue of the journal Science , Ahmed Hassan Zewail published an article using this term for the first time, stating "Real-time femtochemistry, that is, chemistry on the femtosecond timescale...". [1] Later in 1999, Zewail received the Nobel Prize in Chemistry for his pioneering work in this field showing that it is possible to see how atoms in a molecule move during a chemical reaction with flashes of laser light. [2] Application of femtochemistry in biological studies has also helped to elucidate the conformational dynamics of stem-loop RNA structures. [3] [4] Many publications have discussed the possibility of controlling chemical reactions by this method, [ clarification needed ] but this remains controversial. [5] The steps in some reactions occur in the femtosecond timescale and sometimes in attosecond timescales, [6] and will sometimes form intermediate products . These reaction intermediates cannot always be deduced from observing the start and end products. Pump–probe spectroscopy Edit The simplest approach and still one of the most common techniques is known as pump–probe spectroscopy . In this method, two or more optical pulses with variable time delay between them are used to investigate the processes happening during a chemical reaction. The first pulse (pump) initiates the reaction, by breaking a bond or exciting one of the reactants. The second pulse (probe) is then used to interrogate the progress of the reaction a certain period of time after initiation. As the reaction progresses, the response of the reacting system to the probe pulse will change. By continually scanning the time delay between pump and probe pulses and observing the response, workers can reconstruct the progress of the reaction as a function of time. Bromine dissociation Femtochemistry has been used to show the time-resolved electronic stages of bromine dissociation. [7] When dissociated by a 400 nm laser pulse, electrons completely localize onto individual atoms after 140 fs, with Br atoms separated by 6.0 Å after 160 fs. References Edit ^ Zewail, A. H. (1988-12-23). "Laser Femtochemistry". Science . 242 (4886): 1645–1653. Bibcode : 1988Sci...242.1645Z . doi : 10.1126/science.242.4886.1645 . ISSN 0036-8075 . PMID 17730575 . S2CID 220103588 . ^ The 1999 Nobel Prize in Chemistry , article on nobelprize.org ^ Kadakkuzha, B. M.; Zhao, L.; Xia, T. (2009). "Conformational Distribution and Ultrafast Base Dynamics of Leadzyme". Biochemistry . 48 (22): 3807–3809. doi : 10.1021/bi900256q . PMID 19301929 . ^ Lu, Jia; Kadakkuzha, Beena M.; Zhao, Liang; et al. (2011). "Dynamic Ensemble View of the Conformational Landscape of HIV-1 TAR RNA and Allosteric Recognition"

চলুন কিছু বাংলাদেশী মুসলিম বিজ্ঞানীদের চিনে আসি।

১।ফিঙ্গারপ্রিন্টের আবিষ্কারক বাংলাদেশি মুসলিম কাজি আজিজুল হক(দ্য জঙ্গি?)

কাজি আজিজুল হক - উইকিপিডিয়া
কাজি আজিজুল হক হস্তছাপ রক্ষনের মাধ্যমে অপরাধী সনাক্তকরনের উদ্ভাবক

২।ব্রেকলে বিশ্ববিদ্যালয় এর সহকারী অধ্যাপক সাইফ সালাউদ্দিন উদ্ভাবন করেছেন মেমরি অ্যাপ্লিকেশন এর প্রক্রিয়া, সংরক্ষণ নির্ণয়ের বিশেষ যন্ত্র ন্যানো স্কেল ইলেকট্রনিক ও স্পিনট্রনিক ডিভাইস। যন্ত্রটি ইলেকট্রন প্রেরণ, সংরক্ষণের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও নির্ণয় করে। ইলেকট্রনিক ডিভাইসটি ইলেকট্রনের আধান এর সংকেত এবং স্পিনট্রনিক ডিভাইটি ইলেকট্রনের কৌনিক ভরবেগ নির্ণয় করে।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকান সরকারের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ক শীর্ষ পুরস্কার প্রেসিডেন্টসিয়াল আরলি কেরিয়ার এওয়ার্ড ফর সাইনটিস্ট এন্ড ইনজিনিয়ার্স্ এর জন্য মনোনিত হন তিনি।

বারাক ওবামার কাছ থেকে প্রেসিডেন্টসিয়াল পদক গ্রহণ করেন তিনি। উৎস- কোরা

বাংলাদেশি প্রকৌশলী পাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদক
কম্পিউটার প্রযুক্তিতে বিশেষ অবদানে জন্য চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দেওয়া সম্মানসূচক পদক পাচ্ছেন বাংলাদেশি তরুণ প্রকৌশলী সাইফ সালাউদ্দিন। তরুণ বিজ্ঞানী

৩।সেলিম শাহরিয়ার: যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অধ্যাপক সেলিম শাহরিয়ার আবিষ্কার করেছেন এমন এক মহাকর্ষীয় তরঙ্গ যা ইতোমধ্যে আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্বকে সিদ্ধ করেছে। নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর এই অধ্যাপক ও তার দল পৃথিবী থেকে ১.৩ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে দুইটি ব্ল্যাক হোলের সংঘর্ষ থেকে এই তরঙ্গ উদ্ভব খুঁজে পেয়েছেন। ওয়াশিংটন ও যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বসমুদ্রতটে স্থাপিত দুইটি ‘এল’ অ্যান্টেনায় তারা ০.২ সেকেন্ডের জন্য একটি প্রোটনের চেয়ে ১০০০ হাজার গুণ ছোট একটি ‘বিপ’ শুনতে পান। এবং ঐ তরঙ্গ আবিষ্কারে সফল হন।

সেলিম শাহরিয়ার - উইকিপিডিয়া
শাহরিয়ার ১৯৬৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। বিপিন বিহারি স্কুল থেকে মাধ্যমিক আর ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় তিনি মেধাতালিকায় ছিলেন দশের মধ্যে। ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে তড়িৎ প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞানে ১৯৮৬ সালে ব্যাচেলর অব সায়েন্স, তড়িৎ প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে ১৯৮৯ সালে মাস্টার অব সায়েন্স এবং তড়িৎ প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে ১৯৯২ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এর রিসার্চ ল্যাবরেটরী অব ইলেক্ট্রনিক্স এ ১৯৯১ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত পোস্ট-ডক্টরাল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট, ১৯৯২ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত রিসার্চ সায়েন্টিস্ট এবং ২০০১ সালে প্রিন্সিপাল রিসার্চ সায়েন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর তড়িৎ প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ২০০৮ সাল থেকে এই বিভাগের সলিড স্টেট এবং ফোটোনিক্স ডিভিশনের পরিচালক হিসেবে কর্মরত। একই সাথে তিনি ২০০৮ সাল থেকে পদার্থবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগেরও অধ্যাপক। [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮]

৪।একরাম হোসেনঃতার প্রকাশনায় রয়েছে ১৫৫টি জার্নাল পেপার, ১৪৪টি কনফারেন্স পেপার, ১০টি বই এবং ২০টি বইয়ের অধ্যায়। এ পর্যন্ত ১২ জন ছা ত্রের পিএইচডির কাজ তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি দুটি আমেরিকান প্যাটেন্ট এর অধিকারী।

https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8

৫।এম তাহের এ সাইদঃঅধ্যাপক সাইফের ১০০টি জার্নাল প্রকাশনা, ১৮৩টি কনফারেন্স প্রকশনা ৪টি বইয়ের অধ্যায় রয়েছে। তার ৮টি মার্কিন প্যাটেন্ট রয়েছে। তিনি ১০টি পিএইচডি অভিসন্দর্ভ তত্ত্বাবধান করেছেন।

এম তাহের এ সাইফ - উইকিপিডিয়া
এই নিবন্ধটি ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করা প্রয়োজন। এই নিবন্ধটি ইংরেজি ভাষায় লেখা হয়েছে। নিবন্ধটি যদি ইংরেজি ভাষার ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে লেখা হয়ে থাকে তবে, অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি ঐ নির্দিষ্ট ভাষার উইকিপিডিয়াতে তৈরী করুন। অন্যান্য ভাষার উইকিপিডিয়ার তালিকা দেখুন এখানে। এই নিবন্ধটি পড়ার জন্য আপনি গুগল অনুবাদ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জাম দ্বারা অনুবাদকৃত লেখা উইকিপিডিয়াতে সংযোজন করবেন না, কারণ সাধারণত এই সরঞ্জামগুলোর অনুবাদ মানসম্পন্ন হয় না।

৬।জাহিদ হাসানঃকোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ফার্মিয়ন শ্রেণির কণার আবিষ্কারক জাহিদ হাসান।

বাংলাদেশের গর্ব মার্কিন বিজ্ঞানী ড. জাহিদ হাসান
চার বছর আগে গোটা বিশ্বে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. জাহিদ হাসান তাপস। এ সময় ‘ভাইল ফার্মিয়ন’ নামে এক অধরা কণার অস্তিত্ব আবিস্কার করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের এই অধ্যাপক।
এম জাহিদ হাসান - উইকিপিডিয়া
৫ বারের নির্বাচিত সাংসদ এডভোকেট রহমত আলী ও গৃহিণী নাদিরা বেগমের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে জাহিদ সবার বড়। তার বোন রুমানা আলী ১৪ নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের একজন সাংসদ। [১] [ স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ ] ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে এসএসসিতে সম্মিলিত মেধাতালিকায় দ্বিতীয় ও ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৮৮ সালে এইচএসসিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন জাহিদ। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন ভাইনভার্গের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ নিতে জাহিদ ভর্তি হলেন অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে পদার্থবিজ্ঞান থেকে স্নাতক হয়ে পরে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেন। পিএইচডি করার সময় জাহিদ বের করেন কঠিন বস্তুর মধ্যে ইলেকট্রনের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যা বের করার কৌশল। এই সময় তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে পড়ানোর আমন্ত্রণ পান। ‘আমি একটা বক্তৃতা দিতে গিয়েছি প্রিন্সটনে। বক্তৃতা শেষেই তারা আমাকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। কোনো জীবনবৃত্তান্তও তৈরি ছিল না। পিএইচডিও শেষ হয়নি।’ আরাধ্য স্বপ্ন ধরা দেওয়ার কথা বলছিলেন জাহিদ। এরই মধ্যে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী তাঁর তত্ত্বাবধানে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন। [১] [২] [৩]
জাহিদ হাসান: অধরা কণার বিজ্ঞানী
২৯ সেন্ট্রাল রোড থেকে ধানমন্ডি গবর্ণমেন্ট বয়েজ হাইস্কুল বেশি দূরের রাস্তা নয়। সেই স্কুলেই জাহিদের পড়াশোনা। স্কুলের বন্ধুদের কাছে জাহিদ ‘তাপস’ নামেই পরিচিত। আর শিক্ষকেরা জানেন, এই ছেলেটি নিশ্চিতভাবেই এসএসসিতে মেধাতালিকায় স্থান পাবে।
জাহিদ হাসানের আবিষ্কার ও কোটি হৃদয়ের কণা
জাহিদ হাসানের আবিষ্কার ও কোটি হৃদয়ের কণা

৭।মাদ্রাসা শিক্ষার বিরোধিতাকারী মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র ড.কুদরত-ই-খুদা,পারটেক্সের আবিষ্কারক।তার গবেষণাসমূহ👇

  1. Bitter constituents from Caesalpinia bonducella Flem. (সিজালপিনিয়া বনদুচাইল্লা ফ্লেম. [স্থানীয় নাম ‘নাটালকাঁটা’ বা ‘মালাক্কা নাটা[৫] থেকে নিষ্কাশিত তিতা উপাদানসমূহ)। কেমিস্ট্রি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সংখ্যা ১৭), ১৯৬০।[৬]
  2. Strainless Monocyclic Rings (পীড়নবিহীন একচাক্রিক বলয়নিচয়)। নেচার, ১৯৩৩।[৭]
  3. Preparation of cis-o-carboxycyclohexaneacetic acid (সিস-ও-কার্বক্সিসাইক্লোহেক্সেনঅ্যাসিটিক অ্যাসিড প্রস্তুতি)। জার্নাল অফ দ্য কেমিক্যাল সোসাইটি, ১৯২৬।[৮]
  4. Studies in keto-lactol tautomerism. Part I. Ring-chain tautomerism in α-carboxy-γ-acetyl-ββ-dimethylbutyric acid and a synthesis of γ-acetyl-ββ-dimethylbutyric acid (কিটো-ল্যাকটল টটোমারিতার ওপর আলোকপাত। প্রথম ভাগ: আলফা-কার্বক্সি-গামা-অ্যাসিটাইল-বিটা বিটা-ডাইমিথাইল বিউটাইরিক অ্যাসিডে বলয়-শৃঙ্খল টটোমারিতা এবং গামা-অ্যাসিটাইল-বিটা বিটা-ডাইমিথাইলবিউটাইরিক অ্যাসিডের একটি সংশ্লেষণ)। জার্নাল অফ দ্য কেমিক্যাল সোসাইটি, ১৯২৯।[৯]
  5. Studies in keto-lactol tautomerism. Part V. The influence of methylcyclohexane rings on the tautomerism of δ-ketonic acids (কিটো-ল্যাকটল টটোমারিতার ওপর আলোকপাত। পঞ্চম ভাগ: সিগমা-কিটোনিক অ্যাসিডের টটোমারিতার ওপর মিথাইলসাইক্লোহেক্সেন বলয়নিচয়ের প্রভাব)। জার্নাল অফ দ্য কেমিক্যাল সোসাইটি, ১৯৩৬।
  6. Multiplanar Cyclohexane Rings (বহুতলীয় সাইক্লোহেক্সেন বলয়নিচয়)। নেচার, ১৯৩৫।[১০]
  7. Fish and fish products. 4. Evaluation of certain important types of fish for their valuable constituents and essential amino acids (মাছ ও মাছজাত পণ্য। উপাদেয় উপাদান ও অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিডের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাছের মূল্যায়ন)। সায়েন্স রিসার্চ, ১৯৬৪।[১১]
  8. Partition of protein and non-protein nitrogenous constituents in different parts of fish body (মাছদেহের নানান অংশে আমিষ ও বে-আমিষীয় নাইট্রোজেনজাত উপাদানের বিভাজন)। সায়েন্স রিসার্চ, ১৯৬৪।[১২]
  9. Some valuable constituents of oil cakes from East Pakistan (পূর্ব পাকিস্তানের তেলের কেকে কিছু তাৎপর্যপূর্ণ উপাদান)। পাকিস্তান জর্নাল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ, ১৯৫৯।[১৩]
  10. Nutritional investigations on fats and oils. 1. Growth of young albino rats as influenced by heat-treated mustard oil and erucin supplementation of groundnut oil in fish flour diet (চর্বি ও তেলে পুষ্টি গুণাগুণ পরীক্ষা। ১. উত্তপ্ত সরিষার তেল এবং মাছ-ময়দা খাবারে উপস্থিত চীনাবাদাম তেলে ইরুচিন সম্পূরকের ছোটো ধবল ইঁদুরের বৃদ্ধির ওপর প্রভাব বিশ্লেষণ)। পাকিস্তান জর্নাল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ, ১৯৬৬।[১৪]
  11. Chemical investigations of Cephalandra indica I. Constituents of dry aerial parts (সিফালান্দ্রা ইন্দিকা (তেলাকুচার) রাসায়নিক অনুসন্ধান। ১. শুষ্ক বায়ব অঙ্গের উপাদানরাজি)। পাকিস্তান জর্নাল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ, ১৯৬৫।[১৫]
মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা - উইকিপিডিয়া
মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা বা ড. কুদরাত-এ-খুদা (১ ডিসেম্বর ১৯০০ - ৩ নভেম্বর ১৯৭৭) ছিলেন একজন বাংলাদেশী রসায়নবিদ, গ্রন্থকার এবং শিক্ষাবিদ। শিক্ষায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৭৬ সালে একুশে পদক এবং ১৯৮৪ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। কুদরাত-এ-খুদা ১৯০০ সালের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের মাড়গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পীর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা খোন্দকার আব্দুল মুকিদ, মাতা সৈয়দা ফাসিহা খাতুন। তাদের সাত সন্তানের মধ্যে কুদরাত-এ-খুদা ছিলেন দ্বিতীয়। [২] কুদরাত-এ-খুদার নাম রেখেছিলেন কুদরতের পিতার পীর কলকাতার তালতলার হযরত সায়ীদ শাহ মুর্শিদ আল কাদেরী। খোন্দকার আবদুল মুকিত তৎকালীন সময়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেছিলেন। তিনি সেসময় হাতে গোনা কয়েকজন মুসলিমের মধ্যে ছিলেন, যারা ইংরেজি ভাষা জানত। [৩] তার পিতা খোন্দকার আব্দুল মুকিত পীর বংশের সন্তান এবং নিজেও পীর হওয়ায় কুদরাত-এ-খুদাকে মাদ্রাসায় পীর বানানোর নিমিত্তে ভর্তি করিয়ে দেন। [৩] একদিন খুদার এক মামা তাদের বাড়িতে আসেন। তিনি তখন কলকাতায় পড়াশোনা করছেন। তিনি খুদাকে বাংলা বর্ণমালার বই দেন। বিকাল বেলা খুদাকে খেলতে দেখে, তার মামা, সেই বইটি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করায় বালক খুদা সব মুখস্থ উত্তর দেন। তিনি বালক খুদার প্রতিভা দেখে তাকে মাদ্রাসা থেকে ছাড়িয়ে এনে মাড়গ্রাম এম.ই. স্কুলে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করেন। [৪] পরবর্তীতে তিনি চলে আসেন কলিকাতা উডবার্ন এম.ই. স্কুলে এবং কলকাতা মাদ্রাসায় । কলকাতা মাদ্রাসা থেকে তিনি ১৯১৮ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন। তারপর তিনি ভর্তি হন বিখ্যাত প্রেসিডেন্সি কলেজে । প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের প্রিয় ছাত্র ছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তিনি ১৯২৫ সালে রসায়নে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে এম.এস.সি পাশ করেন। পাশ করার পর তিনি সরকারী বৃত্তি নিয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে যান ডক্টরেট করার জন্য। সেখানে তিনি স্যার জে. এফ থর্পের অধীনে থিসিস করেন। প্রফেসর থর্প কুদরত এ খুদাকে স্বাধীনভাবে গবেষণা করতে দেন। ফলে তিনি চারবছরের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ কাজ করেন। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় হতে Stainless Configuration of Multiplanmet Ring বিষয়ে গবেষণার জন্য তিনি ১৯২৯ সালে রসায়নে ডি.এসসি. ডিগ্রি লাভ করেন। ডক্টর অব সায়েন্স (ডি.এসসি. ডিগ্রী) লাভ করার পর দেশে ফিরে এসে প্রাথমিক ভাবে তার কোনো চাকরি জুটে নি। আড়াই বছর বেকার ছিলেন তিনি। সেসময় প্রেসিডেন্সি কলেজে প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তি নিয়ে গবেষণা থিসিস লিখেন তিনি। [৩] কুদরাত-এ-খুদা ১৯৩১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে শিক্ষক হিসাবে যোগদানের মাধ্যমে নিজের কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৩৬ সালে তিনি এ কলেজে বিভাগীয় প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৪২ সালে বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক তাকে ইসলামিয়া কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত করেন এবং ১৯৪৬ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যক্ষ হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর ড. কুদরাত-এ-খুদা পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন এবং জনশিক্ষা পরিচালকের দায়িত্ব নেন (১৯৪৭-১৯৪৯)। অতঃপর তিনি পাকিস্তান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা হিসাবে নিয়োজিত হন (১৯৫০-১৯৫৩)। ১৯৫৩-১৯৫৪ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণাগারসমূহের পরিচালক ছিলেন। অক্লান্ত পরিশ্রমে তিনি চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে গড়ে তুলেন বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণাগার। বাংলাদেশের দেশীয় শিল্পের বিকাশ হয় তার হাত দিয়ে। [৩] ১৯৬৩ সালে চাকুরি থেকে অবসর নিয়ে পাকিস্তান কেন্দ্রীয় বা

৮।স্টিফেন হকিংস এর রুমমেট জামাল নজরুল ইসলাম।ভাববেন না তার জীবনে একটা অবদান সেটা বিখ্যাত এক বিজ্ঞানী রুমমেট হওয়া।তাকে সবদিক থেকেই তুলনা করা যায় স্টিফেন হকিংয়ের সাথে।

বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম
বিজ্ঞানী হিসেবে যে কয়েকজন ব্যক্তি বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের নামকে উজ্জ্বল করেছেন, তাদের মাঝে অন্যতম জামাল…

মধ্যযুগে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান👇

১।টুথব্রাশঃসকালে উঠে সর্বপ্রথম যে কাজটি করেন সেটি এক জঙ্গীর আবিষ্কার।যারা দাঁতব্রাশ না করে মিসওয়াক করতে পছন্দ করেন তারা নির্দ্বিধায় টুথব্রাশ করতে পারেন এটা কোনো কাফিরদের আবিষ্কার নয়।

২।বীজগণিতঃবীজগণিত এর আবিষ্কারক মুসা আল খোয়ারিজমি।খোয়ারিজম শব্দ থেকেই "এলগরিদম" শব্দের উৎপত্তি।তার লেখা বই "কিতাব আল জাবর আল মুকাবিলা" এর "আল জাবর" থেকে "এলজেবরা" শব্দের উৎপত্তি।

Al-Khwarzimi: The Father of Algebra - IslamOnline
The word "algebra," like the subject, is a consequence of the intellectual ferment that occurred in Baghdad during the ninth century reign of Caliph al-Ma'mun (813-33).
The father of algebra: Abu Jaafar Mohammad Ibn Mousa Al Khwarizmi
Al Khwarizmi’s contributions to mathematics and astronomy haven’t gone unnoticed. A crater on the Moon is named after him

৩।কফি:সন্ধ্যার কফিটাও মুসলমানদের আবিষ্কার।

৪।রোবোটিকস এর জনক একজন মুসলিম।

Ismail al-Jazari, the Muslim inventor whom some call the 'Father of Robotics'
From water pumps to musical automatons, Ismail al-Jazari's extraordinary machines ranged from practical to playful, delighting farmers and kings alike.
Ismail al-Jazari - Wikipedia
Badīʿ az-Zaman Abu l-ʿIzz ibn Ismāʿīl ibn ar-Razāz al-Jazarī (1136–1206, Arabic : بديع الزمان أَبُ اَلْعِزِ إبْنُ إسْماعِيلِ إبْنُ الرِّزاز الجزري ,), IPA: [ældʒæzæriː] ) was a Muslim polymath : a scholar , inventor , mechanical engineer , artisan , artist and mathematician from Artuqid Dynasty of Jazira in Mesopotamia . He is best known for writing The Book of Knowledge of Ingenious Mechanical Devices ( Arabic : كتاب في معرفة الحيل الهندسية , romanized : Kitab fi ma'rifat al-hiyal al-handasiya , lit. 'Book in knowledge of engineering tricks') in 1206, where he described 50 mechanical devices, along with instructions on how to construct them. He is credited with the invention of the elephant clock . [2] The elephant clock was one of the most famous inventions of al-Jazari. Biography Edit Diagram of a hydropowered perpetual flute from The Book of Knowledge of Ingenious Mechanical Devices by Al-Jazari in 1206. Al-Jazari was born in the area of Upper Mesopotamia in 1136. Sources state his exact location is unknown, but they speculate he could have been born in Jazirat ibn Umar , where he got the name Jazari from or Al-Jazira which was used to denote Upper Mesopotamia. [3] [4] [5] The only biographical information known about him is contained in his Book of Knowledge of Ingenious Mechanical Devices . [6] Like his father before him, he served as chief engineer at the Artuklu Palace , the residence of the Mardin branch of the Artuqids which ruled across eastern Anatolia as vassals of the Zengid dynasty of Mosul and later of Ayyubid general Saladin . [7] Although his ethnic origin is not certain, there are ideas that he is of Arab [8] [9] or Kurdish [10] origin. Al-Jazari was part of a tradition of artisans and was thus more a practical engineer than an inventor [11] who appears to have been "more interested in the craftsmanship necessary to construct the devices than in the technology which lay behind them" and his machines were usually "assembled by trial and error rather than by theoretical calculation". [12] His Book of Knowledge of Ingenious Mechanical Devices appears to have been quite popular as it appears in a large number of manuscript copies, and as he explains repeatedly, he only describes devices he has built himself. According to Mayr, the book's style resembles that of a modern "do-it-yourself" book. [13] Some of his devices were inspired by earlier devices, such as one of his monumental water clocks, which was based on that of a Pseudo-Archimedes . [14] He also cites the influence of the Banū Mūsā brothers for his fountains, al-Saghani for the design of a candle clock, and Hibatullah ibn al-Husayn (d. 1139) for musical automata. Al-Jazari goes on to describe the improvements he made to the work of his predecessors, and describes a number of devices, techniques and components that are original innovations which do not appear in the works by his precessors. [15] Mechanisms and methods Edit The most significant aspect of al-Jazari's machines

৫।উড়োজাহাজঃসর্বপ্রথম আকাশে উড়েছিলেন রাইট ব্রাদার্স নন বরং স্পেন,তখনকার কর্ডোবার ফিরনাস👇

Abbas ibn Firnas - Wikipedia
Abu al-Qasim Abbas ibn Firnas ibn Wirdas al-Takurini ( Arabic : أبو القاسم عباس بن فرناس بن ورداس التاكرني ; c. 809/810 – 887 A.D. ), also known as Abbas ibn Firnas ( Arabic : عباس بن فرناس ), Latinized Armen Firman , [1] [ dubious – discuss ] was a Berber Andalusian polymath : [2] [3] [4] an inventor , astronomer , physician , chemist , engineer , Andalusi musician , and Arabic-language poet . [4] He was reported to have experimented with a form of flight. [2] [5] [6] [7] Ibn Firnas made various contributions in the field of astronomy and engineering. He constructed a device which indicated the motion of the planets and stars in the Universe. In addition, ibn Firnas came up with a procedure to manufacture colourless glass and made magnifying lenses for reading, which were known as reading stones . [ citation needed ] Abbas ibn Firnas was born in Ronda in the Takurunna province from Berber parents and lived in Córdoba . [2] Abbas Ibn Firnas devised a means of manufacturing colorless glass , invented various glass planispheres , made corrective lenses (" reading stones "), devised a chain of things that could be used to simulate the motions of the planets and stars, and developed a process for cutting rock crystal that allowed Spain to cease exporting quartz to Egypt to be cut. [6] [7] He introduced the Sindhind to al-Andalus, [2] which had important influence on astronomy in Europe. [8] He also designed the al-Maqata, a water clock . [9] Some seven centuries after the death of Firnas, the Algerian historian Ahmed Mohammed al-Maqqari (d. 1632) wrote a description of Firnas that included the following: [10] Among other very curious experiments which he made, one is his trying to fly. He covered himself with feathers for the purpose, attached a couple of wings to his body, and, getting on an eminence, flung himself down into the air, when according to the testimony of several trustworthy writers who witnessed the performance, he flew a considerable distance, as if he had been a bird, but, in alighting again on the place whence he had started, his back was very much hurt, for not knowing that birds when they alight come down upon their tails, he forgot to provide himself with one. [7] Al-Maqqari is said to have used in his history works "many early sources no longer extant", but in the case of Firnas, he does not cite his sources for the details of the reputed flight, though he does claim that one verse in a ninth-century Arab poem is actually an allusion to Firnas's flight. The poem was written by Mu'min ibn Said, a court poet of Córdoba under Muhammad I (d. 886), who was acquainted with and usually critical of Ibn Firnas. [7] The pertinent verse runs: "He flew faster than the phoenix in his flight when he dressed his body in the feathers of a vulture ." [10] No other surviving sources refer to the event. [11] It has been suggested that Ibn Firnas's attempt at glider flight might have inspired the attempt by Eilmer of Malmesbury between 1000 and 101

৬।বছরে ৩৬৫ দিন এটা বিজ্ঞানী আল বিরুনীর আবিষ্কার👇

Al-Biruni - Wikipedia
Anthropologist - Wikipedia
Anthropologists usually cover a breadth of topics within anthropology in their undergraduate education and then proceed to specialize in topics of their own choice at the graduate level . In some universities, a qualifying exam serves to test both the breadth and depth of a student's understanding of anthropology; the students who pass are permitted to work on a doctoral dissertation. Anthropologists typically hold graduate degrees, either doctorates or master's degrees. Not holding an advanced degree is rare in the field. Some anthropologists hold undergraduate degrees in other fields than anthropology and graduate degrees in anthropology. [4] Research topics of anthropologists include the discovery of human remains and artifacts as well as the exploration of social and cultural issues such as population growth, structural inequality and globalization by making use of a variety of technologies including statistical software and Geographic Information Systems (GIS) . [5] Anthropological field work requires a faithful representation of observations and a strict adherence to social and ethical responsibilities, such as the acquisition of consent, transparency in research and methodologies and the right to anonymity. [6] [7] Historically, anthropologists primarily worked in academic settings; however, by 2014, U.S. anthropologists and archaeologists were largely employed in research positions (28%), management and consulting (23%) and government positions (27%). [8] [9] U.S. employment of anthropologists and archaeologists is projected to increase from 7,600 to 7,900 between 2016 and 2026, a growth rate just under half the national median. [10] [11] Anthropologists without doctorates tend to work more in other fields than academia , while the majority of those with doctorates are primarily employed in academia. [12] Many of those without doctorates in academia tend to work exclusively as researchers and do not teach. Those in research-only positions are often not considered faculty. The median salary for anthropologists in 2015 was $62,220. [13] Many anthropologists report an above average level of job satisfaction. Although closely related and often grouped with archaeology, anthropologists and archaeologists perform differing roles, though archeology is considered a sub-discipline of anthropology . [14] While both professions focus on the study of human culture from past to present, archaeologists focus specifically on analyzing material remains such as artifacts and architectural remains. [14] Anthropology encompasses a wider range of professions including the rising fields of forensic anthropology , digital anthropology and cyber anthropology . The role of an anthropologist differs as well from that of a historian . While anthropologists focus their studies on humans and human behavior, historians look at events from a broader perspective. [15] Historians also tend to focus less on culture than anthropologists in their studies. A far greater per

আল বিরুনিকে Father of Anthropology বলা হয়👆

৭।রসায়ন শাস্ত্রের জনক জাবির ইবনে হাইয়ান👇

Jabir ibn Hayyan - Wikipedia
For other people known as Jabir, see Jabir . Abū Mūsā Jābir ibn Ḥayyān ( Arabic : أبو موسى جابر بن حيّان , variously called al-Ṣūfī , al-Azdī , al-Kūfī , or al-Ṭūsī ), died c. 806−816, is the purported author of an enormous number and variety of works in Arabic, often called the Jabirian corpus. The works that survive today mainly deal with alchemy and chemistry , magic , and Shi'ite religious philosophy. However, the original scope of the corpus was vast and diverse, covering a wide range of topics ranging from cosmology , astronomy and astrology , over medicine , pharmacology , zoology and botany , to metaphysics , logic , and grammar . Jābir ibn Ḥayyān Islamic alchemist 15th-century depiction of Jabir Died c. 806−816 CE Era Islamic Golden Age Region Kufa / Tus /unknown Language Arabic Main interests alchemy and chemistry , magic , Shi'ite religious philosophy Notable ideas use of organic substances in chemistry, sulfur-mercury theory of metals , science of the balance, science of artificial generation Jabir's works contain the oldest known systematic classification of chemical substances, and the oldest known instructions for deriving an inorganic compound ( sal ammoniac or ammonium chloride ) from organic substances (such as plants, blood, and hair) by chemical means. [1] His works also contain one of the earliest known versions of the sulfur-mercury theory of metals, a mineralogical theory that would remain dominant until the 18th century. A significant part of Jabir's writings were informed by a philosophical theory known as "the science of the balance" (Arabic: ʿilm al-mīzān ), which was aimed at reducing all phenomena (including material substances and their elements) to a system of measures and quantitative proportions. The Jabirian works also contain some of the earliest preserved Shi'ite eschatological , soteriological and imamological doctrines, which Jabir presented as deriving from his purported master, the Shi'ite Imam Jaʿfar al-Ṣādiq . As early as the 10th century, the identity and exact corpus of works of Jabir was in dispute in Islamic scholarly circles. The authorship of all these works by a single figure, and even the existence of a historical Jabir, are also doubted by modern scholars. Instead, Jabir ibn Hayyan is thought to have been a pseudonym used by an anonymous school of Shi'ite alchemists writing in the late 9th and early 10th centuries. Some Arabic Jabirian works (e.g., The Great Book of Mercy , and The Book of Seventy ) were translated into Latin under the Latinized name Geber , and in 13th-century Europe an anonymous writer, usually referred to as pseudo-Geber , started to produce alchemical and metallurgical writings under this name. [2] Biography Edit Artistic impression of Jabir and his master Jaʿfar al-Ṣādiq. Historicity Edit It is not clear whether Jabir ibn Hayyan ever existed as a historical person. He is purported to have lived in the 8th century, and to have been a disciple of the Shi'ite Imam Jaʿfar al-Ṣād

৮।লেন্স,আলোকবিদ্যা ও সিনেমা:লেন্স ক্যামেরা,সিনেমা ও আলোকতত্ত্ব নিয়ে কাজ করেন হাইথাম।তিনি আলোকতত্ত্ব নিয়ে টলেমির করা গবেষণাকে ভুল প্রমাণিত করেন।টলেমির দাবী ছিলো চোখ থেকে আলো বের হয় তা দিয়ে আমরা দেখি।কিন্তু ইবনে হাইথাম তা সংশোধন করেন যে কোনো আলোক উৎস থেকে আলো এসে বস্তু থেকে প্রতিফলিত হলে আমরা তা দেখি।

তিনি অপটিকস আবিষ্কার করেন।অর্থাৎ চোখে যে চশমাটা পড়ে আছেন তা কিন্তু এক মুসলিম বিজ্ঞানীর আবিষ্কার।মজার বিষয় তার অপটিক্স বিষয়ে আবিষ্কার ব্যবহার করেই পরবর্তীতে মুভি প্রজেক্টর আবিষ্কার হয়।

ইবনে আল-হাইথাম: আলোকবিজ্ঞানের কান্ডারি এক মহাবিজ্ঞানীর গল্প
তাকে পশ্চিমারা ‘আল হাজেন’ বলে ডাকে। আবার তার জন্মভূমির নাম বসরা অনুসারে তাকে কখনো ‘আল…
হাসান ইবনুল হায়সাম - উইকিপিডিয়া
ইবন আল-হাইসাম এর সবচেয়ে বিখ্যাত কর্ম হচ্ছে তাঁর সাত খণ্ডে রচিত আলোকবিজ্ঞানের উপর গবেষণা গ্রন্থ কিতাব আল-মানাযির ("আলোকবিজ্ঞান গ্রন্থ") যা ১০১১ খ্রিষ্টাব্দ হতে ১০২১ খ্রিষ্টাব্দ এর মাঝামাঝি সময় রচিত। [২৬] [২৭] কিতাব আল মানাযির দ্বাদশ শতাব্দীর শেষে অথবা ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে এক অজ্ঞাত পরিচয় পণ্ডিত কর্তৃক ল্যাটিনে অনুবাদকৃত হয়েছিলো। ফ্রেড্রিখ রিজনার ১৫৭২ সালে এটি মুদ্রণ করেন। বইটির ল্যাটিনে নাম দিয়েছিলেন অপটিকা থেজারাসঃ আলহাজেনি অ্যারাবিস লিব্রি সেপ্টাম নানপ্রাইমাম এডিটি; ইউসডেম লাইবার ডি ক্রেপাসকুলিস এট নুবিয়াম এসকেনশনিবাস (Latin: Opticae thesaurus: Alhazeni Arabis libri septem, nuncprimum editi; Eiusdem liber De Crepusculis et nubium ascensionibus , বাংলাঃ গোধুলি এবং মেঘের উচ্চতার বিষয়ে এর রচয়িতার লেখা, আলোকবিদ্যার রত্নভান্ডারঃ আরব আলহাজেন কর্তৃক রচিত সাতটি গ্রন্থ, , প্রথম সংস্করণ)। [২৮] রিজনার এর এ গ্রন্থের মাধ্যমেই জনপ্রিয় তাঁর নামের ল্যাটিনকৃত রূপ আল-হাজেন(Al-hazen) জনপ্রিয় হয়, তার পূর্বে আল-আলহাসিন(Al-hacen) নামটি অধিক প্রচলিত ছিলো ইউরোপে। তার এ গ্রন্থ মধ্যযুগের ইউরোপে ব্যপক খ্যাতি লাভ করে। জ্যামিতির উপর তাঁর কিছু কাজ ফ্রান্সের প্যারিসে বিবলিওথেকো ন্যাশনালে ১৮৩৪ সালে আবিষ্কৃত হয়। ল্যাটিনে অনূদিত ইবন আল-হাইসামের কিতাব আল-মানাযির, অপটিকা থেজারাস এর সম্মুখ চিত্র। প্রচ্ছদটি বিভিন্ন আলোকীয় প্রতিভাসের দ্রষ্টান্ত নিয়ে আঁকা হয়েছেঃ রংধনু, আলর প্রতিফলন, প্রতিসরণ, আয়না প্রাচীনকাল হতে দৃষ্টিশক্তি সম্পর্কে দুটো মতবাদ বেশ জনপ্রিয় ছিলো। প্রথম টি হচ্ছে আলোক নিঃসরণ তত্ত্ব( emission theory) , যেটা ইউক্লিড , টলেমি প্রমুখ চিন্তানায়কেরা সমর্থন করতেন, তাঁরা বিশ্বাস করতেন চোখ হতে আলো বস্তুতে পড়াতে আমরা দেখি। দ্বিতীয় তত্ত্ব আলোক অন্তপ্রেরণ তত্ত্ব ( Intromission theory) , অ্যারিস্টটল এবং তাঁর অনুসারীগণ সমর্থন করতেন। পূর্ববর্তী ইসলামিক দার্শনিক ও বিজ্ঞানীরা( যেমনঃ আল-কিন্দি ) অ্যারিস্টটল , ইউক্লিড এবং গ্যালেন প্রমুখের ধারায় এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। কিতাব আল মানাযিরের উপর সর্বাপেক্ষা অধিক প্রভাব দেখা যায় টলেমির আলোকবিদ্যার গ্রন্থের, অন্যদিকে চোখের অঙ্গসংস্থানিক বিবরণ তিনি নিয়েছিলেন গ্রিক চিকিৎসাবিজ্ঞানী গ্যালেনের গবেষণা হতে। ইবন আল হাইসাম এর মূল সাফল্য হলো তিনি তার তত্ত্বে ইউক্লিডের আলোকরশ্নির গাণিতিক প্রকাশকে গ্যালেনের অঙ্গসংস্থানিক বিবরণ এবং অ্যারিস্টটলের অন্তপ্রেরণ তত্ত্বের সাথে সফলভাবে একীভূত করতে পেরেছিলেন। তিনি আল-কিন্দিকে এ ক্ষেত্রে অনুসরণ করে বলেন "যে রঙিন বস্তুর প্রতিটি বিন্দু হতে যতো সরলরেখা আঁকা যায় ততোদিকে আলো এবং রং এর তথ্য পরিবাহিত করে।" [২৯] যদিও এটা তাকে সমস্যায় ফেলে দেয় যে কিভাবে একটি দর্শনযোগ্য চিত্র এতে গঠিত হবে যখন অনেক আলোক উৎস হতে আলো বস্তুতে প্রতিফলিত হচ্ছে, বিশেষত যখন বস্তুর প্রতিটি বিন্দু চোখের প্রতিটু বিন্দুতে আলোকরশ্নি প্রেরণ করছে। তার এটা প্রমাণ করতে হতো যে বস্তুর একটি নির্দিষ্ট বিন্দু চোখের একটি এবং কেবল একটি বিন্ধুর সাথে এক এক মিল স্থাপন করে। [২৯] তিনি এর সমাধানের চেষ্টায় বললেন যে শুধু চোখে লম্বভাবে প্রবেশকৃত রশ্নিই দর্শনানুভূতিতে গুরুত্বপূর্ণ, যে রশ্নি চোখের অন্য অংশ দ্বারা প্রতিসরিত হয় না। তিনি এর একটা ভৌত ব্যাখ্যা দিলেন, যে লম্বভাবে প্রবেশকৃত রশ্নি অধিক শক্তিশালী, যেমন লম্বভাবে একটি বোর্ডে একটি বল আঘাত করলে তা হয়তো বোর্ডকে ভেঙে ফেলবে। তবে তির্যকভাবে আসলে স্পর্শ করে চলে যাবে, তেমনে যেসবক্ষেত্রে আল
Ibn al-Haytham
How an ancient Muslim scientist cast his light into the 21st century
Celebrating optics pioneer Ibn al-Haytham — and promoting intercultural collaboration for the International Year of Light

৯।পৃথিবী গোলাকার তা মুসলমান বিজ্ঞানীগণ জানতেন👇

Muslims discovered Earth is round, Turkey's science minister says - Turkey News
After President Erdoğan's 'Muslims discovered America' claim, a Turkish minister ups the ante in the debate about Muslims and science

১০।চিকিৎসাবিজ্ঞানঃ

Avicenna - Wikipedia

ইবনে সিনা রচিত বই "কানুন অব ফিত" ১৮ শতক পর্যন্ত মুসলিম ও আরব ও ইউরোপীয় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হতো।তিনি যুক্তির সাহায্য এ প্রমাণ করেন ঈশ্বর বিদ্যমান।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাইবেল ‘কানুন ফিত তিব্ব’
চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাইবেল ‘কানুন ফিত তিব্ব’
কানুন ফিততিব - উইকিপিডিয়া
কানুন ফিততিব ( আরবি : القانون في الطب ‎‎ al-Qānūn fī al-Ṭibb ) ইবনে সিনা রচিত চিকিৎসা বিষয়ক বিশ্বকোষ। তিনি ১০২৫ সালে এটি সমাপ্ত করেন। [১] এতে সে সময়কার চিকিৎসা বিষয়ক জ্ঞানের সারাংশ লিপিবদ্ধ রয়েছে। এটি আরবি ভাষায় রচিত। পরবর্তীতে এটি অন্য ভাষা যেমন ফারসি , ল্যাটিন , চাইনিজ , হিব্রু , জার্মান , ফরাসি , ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। [২] [৩] চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে এটিকে সবচেয়ে বিখ্যাত বইগুলোর মধ্যে অন্যতম বিবেচনা করা হয়। [৪]

নিচের মুভিটি ইবনে সিনার জীবনের উপর নির্মিত👇

শুধু ইবনে সিনাই নন,মুসলিম বিশ্বের প্রথম হাসপাতালের প্রতিষ্ঠা করেছেন মহানবী(স)।সেখানেই প্রথম নারী নার্স হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন Rufaida al-Asalmiya।

Prophet Muhammad's female companion built the first Islamic health centre
Rufaida al Aslamiyah devoted all her life to curing the sick and tending the wounded, and she is believed to have founded the first Islamic health centre in Medina.
Rufaida bint Saad Al-Aslameya: The First Muslim Nurse
Rufaida bint Saad Al-Aslameya: The First Muslim Nurse
Rufaida al-Asalmiya, the first Muslim nurse - PubMed
Rufaida al-Asalmiya, the first Muslim nurse

১১।শল্যচিকিৎসা👇

History of Medicine: Islam's Golden Surgeon
"Whatever I know, I owe solely to my assiduous reading of books of the ancients, to my desire to understand them and to appropriate this science; then I have added the observation and experience of my whole life." – Albucasis, from his book Kitab al-Tasrif. Medicine has a great many “fathers” of the trade; Hippocrates in Ancient Greece, Sushruta in Ancient India, Hua Tuo in Ancient China, Guy de Chauliac and Ambroise Paré in France, Scotsman John Hunter, American William Stewart Halsted, and many, many others in between. One of those “in-betweeners” was Abu al-Qasim al-Zahrawi, who is also known by his western moniker of “Albucasis.” He lived and worked in the Andalusia region of southern Spain from 936-1013, and like so great men and women of history, he was a product of the time and place in which he was raised. At the heart of Andalusia was the great city of Córdoba, which in the 10th century was one of the world’s most populous cities and an international center of art, science, culture, and economic growth. At a time when the rest of Europe was struggling through the Dark Ages, the Islamic Golden Age was in full bloom, and Córdoba played a major role in that success. In fact, Córdoba was larger than London and Paris combined, was lined with citrus trees along its streets, and was even one of the first cities in the world with oil streetlights. It was in this cultural milieu that the famed physician and surgeon, Albucasis, made his contributions to medicine and surgery. Albucasis was born in a nearby village a few miles from Córdoba and spent his entire life in the region. While little information exists about his early life, we know that he became the court physician to the Andalusian ruler Hakam II. While that was surely a notable position, his great legacy was his 30-volume tome on medicine and surgery, Kitab al-Tasrif . The Kitab al-Tasrif was a remarkable medical textbook replete with illustrations of surgical procedures and tools of the surgical trade, including many Albucasis had invented himself. Among those devices were new tools for examining the throat and ears, as well as a device to safely crush a kidney stone that had become lodged in the urethra. His writing provided the first written description of hemophilia, the hereditary hemorrhagic disease, as well as the first description of ectopic pregnancy. Other sections described diseases, symptoms, and treatments for nearly 300 other conditions on topics in dentistry, surgical dermatology, obstetrics and gynecology, orthopedics, pharmacology, and more. Albucasis’ Kitab al-Tasrif proved to be a critical reference for physicians and surgeons for the next 500 years and beyond. The fact that fellow “father of surgery” Guy de Chauliac quoted Albucasis over 200 times says a great deal about the staying power of his guidance and the influence he had on the great European surgeons of the Middle Ages. In the end, the great Albucasis’ insights and innovations, gleaned during over 50 years in
Surgery for Gynecomastia in the Islamic Golden Age: Al-Tasrif of Al-Zahrawi (936–1013 AD)
The rise of European science during the Renaissance is greatly indebted to the flourishing of the sciences during the Islamic Golden Age. However, some believe that medieval Islamic physicians and in particular surgeons had been merely a medium for Greco-Roman ideas. Contrarily, in some medieval Islamic medical books, such as Al-Tasrif of Al-Zahrawi (936–1013), the surgical instructions represent a change in the usual techniques or are accompanied by a case history, implying that the procedure was actually undertaken. Along with the hundreds of chapters on different diseases and related medical and surgical treatments, Al-Tasrif includes a chapter on surgical techniques for gynecomastia. The present paper is a review of the description of the surgical management of gynecomastia by Al-Zahrawi as well as that of the ancient Greek, medieval, and modern medicine. Although Al-Zahrawi seemed to base his descriptions of surgery for gynecomastia upon those of Paulus of Aegina, his modification of the procedure and application of the medicinal substances might be indicative of Al-Zahrawi’s own practice of the procedure. Al-Zahrawi’s surgical procedures remained unchanged for many centuries thenceforward until the technological evolution in the recent centuries.
How a 10th-century Muslim surgeon revolutionised surgical procedures
Abu al Qasim al Zahrawi was a man ahead of his time. Known as the father of operative surgery, he invented over 200 surgical tools in the 11th Century, which saved millions of lives. He was not given enough credit for his discoveries, however. One of Al Zahrawi's highly acclaimed books is ‘Al Tasrif’, the first illustrated encyclopedia of surgical tools, which was used as a manual in European universities for over 500 years, influencing modern scientific perspectives on operative surgery and contributing to Europe's Renaissance. The book has 30 chapters, a result of Zahrawi's 50 years of medical practice and experience. Commonly known by his Latin(ised) name Albucasis, al Zahrawi's skills and knowledge of surgery earned him the title of the greatest medieval surgeon of the Islamic world and the Middle Ages. He pioneered the use of catgut for internal stitches and his surgical instruments are still used today. Al Zarhawi was influenced by the treatments of diseases as told by the Prophet Muhammed and used them to treat people. He developed surgical tools for C-sections and cataract surgeries and was also the first to discover the root cause of paralysis. Before him, it was not known what exactly caused paralysis. Al Zahrawi explained how it comes from fracturing the spine. He's also known for using a unique combination of chemicals for sterilisation of surgical tools, which had a similar impact to anti‐bacterial properties in our age. Over a hundred years after Zahrawi's death, the famous Italian translator of scientific manuscripts Gerard of Cremona arrived in Spain to translate his work from Arabic to Latin. By 1250, England had its first, now oldest, medical manuscript and according to the British Medical Journal, it has a "startling similarity" with Al Zahrawi’s encyclopedia. The period between the 8th Century and the 13th Century commonly known as the Islamic Golden Age has produced countless scholars. Muslim intellectuals made groundbreaking inventions, contributing to various branches of human knowledge such as philosophy, astronomy, mathematics and medicine. Al Zahrawi also played a pivotal role in neurosurgical diagnosis, which includes management of head injuries, spinal injuries, skull fractures, hydrocephalus and subdural effusions. Once in his lifetime, he came across a baby boy whose head was abnormally large. His diagnosis was spot on as he vividly described how the abnormality, now known as hydrocephalus, occurs due to the defective drainage of cerebrospinal fluid, a colourless body fluid found in the brain and spinal cord. The Origins Born in 936 in El Zahra near Cordoba in southern Spain, Zahrawi came of age during the time of the Umayyad Caliphate, one of the most prosperous periods of Islamic history. As a medical genius he spent more than 50 years serving as the court physician to the second caliph of Cordoba, al Hakam II, and al Mansur, the de facto ruler of Muslim Spain after the death of al Hakam. It is narrated that his fa

১২।সাবান

১৩।ঘড়ি

১৪।ক্যামেরা

১৫।হাসপাতালঃপৃথিবীর প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা মুসলিমরাই👇

১৬।বিশ্ববিদ্যালয়ঃ বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় এক মুসলিম নারীর আবিষ্কার।

Fatima al-Fihri: Founder of the world's oldest university | DW | 08.05.2020
In the Moroccan city of Fez, Fatima al-Fihri founded a mosque which developed into the famous al-Qarawiyyin university. Today it is recognized as the oldest existing university in the world.
Fatima Al-Fihri: Founder of world's first university
A very intellectual, smart and generous woman of her time, Fatima al-Fihri founded the world's first university to continuously grant degrees, the...
Fatima al-Fihri: Founder of the world’s first university - Manchester University Press
By Humairaa, Production Assistant   Over 1000 years ago, amongst a migrant community in the western districts of Morocco, the vision and investment of one woman paved the way for the founding of the world’s first university: the University of al-Qarawiyyin in Fez, Morocco. Fatima al-Fihri, who was born in Tunisia, ...
Al-Qarawiyyin, world’s oldest, continually operating university, was founded by a Muslim woman
The world's oldest university is not in Europe, as most people would assume; it is in Morocco and was founded by a Muslim woman over two centuries...
The world's first, and still-operating, university is in Morocco
Not Oxford or Bologna, but al-Qarawiyyin is the world's first university. Still functioning today in the Moroccan city of Fes, it was a place bursting with knowledge and multiculturalism even as early as the 9th century.
The world's oldest centre of learning
Since the 9th Century, the old Fez medina has drawn scholars, imams and intellectuals to pass through its doors in hope of discovering what ancient knowledge the city holds.
World's oldest university is over 1,100 years old
The University of Karueein in Morocco, also written as University of al-Qarawiyyin, founded in 859 AD, is recognised as the oldest existing and continually operating educational institution in the world, according to the Guinness World Records. It was founded in Fez, Morocco by Fatima al-Fihri. The educational centre was incorporated into Morocco's modern state university system in 1963.

১৭।মানচিত্রঃ মানচিত্রের উন্নয়নে মুসলমানদের অবদান সর্বাধিক।কাবাঘর এর দিক নির্ণয়ের প্রচেষ্টা তাদের মানচিত্র উন্নয়নে ভূমিকা রাখার দ্বার উন্মোচন করে।

১৮।মিউজিক স্কেলঃমিউজিক যদিও হারাম তবুও মজার বিষয় মিউজিক এর স্কেল মুসলিম দার্শনিক আল কিন্দির আবিষ্কার।

(এই স্কেল বুঝতে পারলে জানান)

১৯।দাবাঃদাবার উন্নয়ন ১০ম শতকে পারস্যে মুসলমানদের দ্বারা হয়।(সুতরাং দাবা হারাম হবার প্রশ্নই আসে না)

https://mvslim.com/10-things-you-use-every-day-that-are-invented-by-muslims/

20 Muslim Inventions that Shaped Our World - Good News Network
1001 Inventions: Discover the Muslim Heritage in Our World is a new exhibition which began a tour of the UK this week at the Science Museum in Manchester.
Muslim inventions that shaped the modern world
In 9th century Spain, Muslim inventor Abbas ibn Firnas designed a flying machine -- hundreds of years before da Vinci drew plans of his own. STORY HIGHLIGHTS Exhibition celebrates 1,000 years of "forgotten" Muslim heritage From coffee to cranks, items we couldn't live without today are Muslim inventions Modern hospitals and universities both began in 9th century North Africa London, England (CNN) -- Think of the origins of that staple of modern life, the cup of coffee, and Italy often springs to mind. But in fact, Yemen is where the ubiquitous brew has its true origins. Along with the first university, and even the toothbrush, it is among surprising Muslim inventions that have shaped the world we live in today. The origins of these fundamental ideas and objects -- the basis of everything from the bicycle to musical scales -- are the focus of "1001 Inventions," a book celebrating "the forgotten" history of 1,000 years of Muslim heritage. "There's a hole in our knowledge, we leap frog from the Renaissance to the Greeks," professor Salim al-Hassani, Chairman of the Foundation for Science, Technology and Civilisation, and editor of the book told CNN. "1001 Inventions" is now an exhibition at London's Science Museum. Hassani hopes the exhibition will highlight the contributions of non-Western cultures -- like the Muslim empire that once covered Spain and Portugal, Southern Italy and stretched as far as parts of China -- to present day civilization. Hospitals as we know them today, with wards and teaching centers, come from 9th century Egypt --professor Salim al-Hassani Here Hassani shares his top 10 outstanding Muslim inventions: 1. Surgery Around the year 1,000, the celebrated doctor Al Zahrawi published a 1,500 page illustrated encyclopedia of surgery that was used in Europe as a medical reference for the next 500 years. Among his many inventions, Zahrawi discovered the use of dissolving cat gut to stitch wounds -- beforehand a second surgery had to be performed to remove sutures. He also reportedly performed the first caesarean operation and created the first pair of forceps. 2. Coffee Now the Western world's drink du jour, coffee was first brewed in Yemen around the 9th century. In its earliest days, coffee helped Sufis stay up during late nights of devotion. Later brought to Cairo by a group of students, the coffee buzz soon caught on around the empire. By the 13th century it reached Turkey, but not until the 16th century did the beans start boiling in Europe, brought to Italy by a Venetian trader. 3. Flying machine "Abbas ibn Firnas was the first person to make a real attempt to construct a flying machine and fly," said Hassani. In the 9th century he designed a winged apparatus, roughly resembling a bird costume. In his most famous trial near Cordoba in Spain, Firnas flew upward for a few moments, before falling to the ground and partially breaking his back. His designs would undoubtedly have been an inspiration for famed Italian artist and inve

এপিজে আব্দুল কালাম এর কথা আর বললাম না।তার কাজ সম্পর্কে সবাই জানেন।আব্দুস সালাম যেহুতু আহমাদিয়া সেহুতু তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি যদিও তিনি নিজেকে সবসময় একজন মুসলিম হিসেবেই পরিচয় দিয়েছেন।

(সিনেমা,ঘড়ি,সাইন অনুপাত,টিন প্রলেপন,চশমা কিংবা সংখ্যাতত্ত্ব সকল কিছুতেই মুসলমানদের অবদান বিদ্যমান।সকালের দাঁতব্রাশ থেকে বিকালের কফি মুসলিমদের আবিষ্কার।)

২০।স্থাপত্যকলাঃঅনেকের ধারণা ভারতের প্রযুক্তি ব্যতীত মোঘলরা তাজমহলের ন্যায় স্থাপনা বানাতে অক্ষম।নিচের মসজিদটি মোঘল সম্রাট বাবরের দাদার দাদার বাবা তৈমুর লং এর স্ত্রীর নির্মিত 👇


এটা তৈমুর লং এর কবর👇

২১।জ্যোতিষবিদ্যাঃ

Astronomical Innovation in the Islamic World

History of Astronomy and Space Science in the Islamic World
"History of Astronomy and Space Science in the Islamic World" published on by null.
https://www.metmuseum.org/toah/hd/astr/hd_astr.htm
Science, Faith, and the Heavens: Astronomy in the Islamic World - Google Arts & Culture
Google Arts & Culture features content from over 2000 leading museums and archives who have partnered with the Google Cultural Institute to bring the world's treasures online.

An overview of Muslim Astronomers

How Islamic scholarship birthed modern astronomy
“There were so many contributions over a millennium that it’s impossible to pick just a few.”

২২।সাইন অনুপাত ও ত্রিকোণমিতি👇

২৩।ভারতে আবিষ্কৃত দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির প্রসার ও বিস্তৃতি ঘটান মুসলিম বিজ্ঞানীরাই।

আজিম প্রেমজিকে চিনেন? না বিজ্ঞানী নয় ব্যবসায়ী যিনি দিনে ২২কোটি টাকা বা তার আয়ের ৯৭% দান করেন।মুকেশ আম্বানি মাত্র ৭% আয়ই দান করেন

সুতরাং সঞ্জয়লীলা বানসালীর "পদ্মবৎ" দেখুন।সামনে অক্ষয়ের "পৃথ্বিরাজ" আসছে।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি,মুসলমানগণ মূর্খ মাদ্রাসাছাপ জঙ্গি টেরোরিস্ট তাবুতে থাকা যাযাবর যারা ১০-১৫টা বাচ্চা নেয় ও জিহাদ দাঙ্গা ছাড়া কিছুই বোঝে না।

ধন্যবাদ!

আলাউদ্দিন খিলজী ও রানী পদ্মাবতী আখ্যান

সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি ও পদ্মাবতী বিতর্ক ! - পিপীলিকা বাংলা ব্লগ
উপমহাদেশের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করলে যে কজন সম্রাটের নামে উঠে আসে তার মধ্যে আলাউদ্দিন খিলজি অন্যতম। ইতিহাস থেকে জানা যায় খিলজি বংশের শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন সুলতান জালাল উদ্দিন। খিলজি শাসককের মধ্যে আলাউদ্দিন খিলজি ছিলেন দ্বিতীয় ও সবচেয়ে ক্ষমতাধর শাসক। আলাউদ্দিন খিলজি’র  ব্যক্তিগত পরিচয় আলাউদ্দিন খিলজী ছিলেন খিলজী বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান জালালউদ্দিনের ছোট ভাই শিহাবউদ্দিনের পুত্র […]

আলাউদ্দিন খিলজী ও রানী পদ্মাবতী

বিদ্রঃআরেকটি বিষয় ইসলামীক খিলাফত আসলেই ইসলামীক স্বর্ণযুগ আসবে বা মধ্যযুগীয় বিজ্ঞানীদের রাজনৈতিকরণের স্বপক্ষে আমি নই।ইবনে সিনাকে ইমাম গাজ্জালী কাফির ফাতোয়া দিয়েছিলো,যদিও ইবনে সিনার সকল দর্শন সঠিক নয়।কিন্তু আমাদের প্রয়োজন উদার হওয়া এবং সবার প্রথম প্রয়োজন দুনিয়াবী জ্ঞানকে মর্যাদা দেওয়া।কুদরৎ-ই খুদাকে নিয়ে অনেক রাজনীতি হয়েছে কিন্তু তার মাদ্রাসা শিক্ষার বিরোধিতা করার কারণ ছিলো মাদ্রাসায় শিশুদের মারাত্মকভাবে প্রহার।এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা উচিত।

অনেকে এসব বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারকে রাজনীতিকরণ করে দেখাতে চাচ্ছে ইসলামীক শাসন আসলেই পুনরায় এ স্বর্ণযুগ আসবে।কিন্তু মনে রাখতে হবে সে স্বর্ণযুগে বিজ্ঞানীদের অনেকেই কাফের ফাতোয়া পেয়েছেন।

ক্লাসে ১ এ একটা ছেলের রোল ১ হলেই সে বুয়েটে চান্স পেয়ে গেছে যেমন বলা যায় না,তেমনি আগে মুসলিমরা কই ছিলো সেটা নিয়ে বর্তমানকে বিচার করা যায় না।আমাদের নিজেদেরও অনেক পরিশ্রম করতে হবে

রাজা রামমোহন রায় পাটনার এক মাদ্রাসায় পড়তেন ও গ্রীক দর্শন সেখানেই আরবি ভাষায় শিখেন।একজন হিন্দু মাদ্রাসায় আরবি পড়ছে ও নাস্তিক গ্রীকদের দুনিয়াবী কুফুরি দর্শন মাদ্রাসায় বসে শিখছে বিষয়টি এখন কল্পনা করতে পারেন?

মুক্তচিন্তা ও বিজ্ঞান নাস্তিক বানায় না বরং ইসলামের সৌন্দর্যকে শেখায়।

আর হ্যাঁ পাটের জিনোমটা সিকোয়েন্সও আমাদের আবিষ্কার।ফরমালিন শনাক্তকরণ কেমিক্যাল আবিষ্কারক টিমে আমার এক দূরসম্পর্কের মামা ছিলেন।

#অভ্র আহমেদ উৎস- কোরা

No comments

Powered by Blogger.