ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম

 ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম 



 বিভিন্ন কারণে গোসল ফরজ হয়। আর ফরজ গোসল ইসলামি জীব বিধানের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ হলো কারো ওপর গোসল ফরজ হলে সঠিক-শুদ্ধ পদ্ধতিতে গোসল আদায় না করা পর্যন্ত ঐ ব্যক্তি নাপাক থাকবেন। আর এই নাপাকি অবস্থায় তার কোনো প্রকারের কোনো ইবাদত-বন্দেগি করার অনুমতি নেই। 

সুতরাং সঠিক-শুদ্ধভাবে আমল করার জন্য শারীরীকভাবে পবিত্র থাকার উদ্দেশ্য গোসল ফরজ হওয়ার কারণ, ফরজ গোসলের ফরজ, সুন্নাত ও মুস্তাহাব আমরসহ ফরজ গোসল করার পদ্ধতি সবার জানা থাকা একান্ত জরুরি। 


গোসল ফরজ হওয়ার কারণসমূহ হলো-  

যেসব কারণে গোসল ফরজ হয়ঃ 

১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে। 

২. নারী-পুরুষ মিলনে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)। 

৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে। 

৪. ইসলাম গ্রহন করলে(নব-মুসলিম হলে)।  


ফরজ গোসলের ফরজ সমূহ হলো- গোসলের ফরজ মোট তিনটি। এই তিনটির কোনো একটি বাদ পড়লে ফরজ গোসল (obligatory bath) আদায় হবে না। তাই ফরজ গোসলের সময় এই তিনটি কাজ খুব সর্তকতার সাথে আদায় করতেই হবে। 

১. গড়গড়ার (হ্বলকের শেষ অংশ পর্যন্ত) সাথে কুলি করা (তবে রোজা রাখা অবস্থায় সাধারণ কুলি করতে হবে) । 

২. নাকে পানি দেওয়া (নাকের নরম অংশ আঙ্গুল দারা ভিজানো)। 

৩. এরপর সারা দেহে পানি ঢালা ও ভালোভাবে গোসল করা (নাভীর ভেতর আঙ্গুল দিয়ে ভেজানো, আর নারীরা গুপ্তাঙ্গ সুন্দরভাবে ধৌত করা)।  

ফরজ গোসলের সঠিক নিয়মঃ 

১. গোসলের জন্য মনে মনে নিয়্যাত করতে হবে। বাড়তি মুখে কোন আরবি শব্দ উচ্চারণ করে নিয়্যাত করা উত্তম। 

২. প্রথমে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ৩ বার ধুতে হবে। 

৩. এরপর ডানহাতে পানি নিয়ে বামহাত দিয়ে লজ্জাস্থান এবং তার আশপাশ ভালো করে ধুতে হবে। শরীরের অন্য কোন জায়গায় বীর্য বা নাপাকি লেগে থাকলে সেটাও ধুতে হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post