যারা বিয়ে করেন নি তাদের জন্য এই পোস্ট (বিবাহের সুন্নাত পদ্ধতি) পর্ব-১

0
536
যারা বিয়ে করেন নি তাদের জন্য এই পোস্ট (বিবাহের সুন্নাত পদ্ধতি) পর্ব-১
যারা বিয়ে করেন নি তাদের জন্য এই পোস্ট (বিবাহের সুন্নাত পদ্ধতি) পর্ব-১
Reading Time: 3 minutes

বিবাহের সুন্নাত পদ্ধতি

উম্মুল মু’মিনীন হযরত সায়্যিদাতুনা আয়েশা সিদ্দিকা رَضِیَ اللہُ تَعَالٰی عَنۡہَا থেকে বর্ণিত; আল্লাহ্ তায়ালার প্রিয় হাবীব, অদৃশ্যের সংবাদদাতা, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন:


“বিবাহ আমার সুন্নাত সমূহের অন্যতম। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার সুন্নাতের উপর আমল করবে না, সে আমার নয়। এই কারণে বিয়ে করো। কেননা, আমি তোমাদের (সংখ্যার দিক থেকে) আধিক্যের ভিত্তিতে অন্যান্য উম্মতদের উপর গর্ব করবো। যে সামর্থ্য রাখে সে যেন বিয়ে করে আর যে সামর্থ্য রাখে না সে যেন রোযা রাখে। কেননা, রোযা যৌন উত্তেজনাকে দমন করে।” (সুনান ইবনে মাজাহ, কিতাবুন নিকাহ, বাবু মাজা কি ফদলিন নিকাহ, ২য় খন্ড, ৪০৬ পৃষ্ঠা, নং- ১৮৪৬)

বিয়ে করা কখন সুন্নাত?
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যদি মহর, ভরণ-পোষণ প্রদান এবং বৈবাহিক অধিকার পূরণ করতে সক্ষম হয় এবং যৌন উত্তেজনা খুব বেশি বিজয়ী না হয়, তবে বিয়ে করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। এমতাবস্থায় বিয়ে না করে বসে থাকা গুনাহ। যদি হারাম থেকে বাচঁতে বা সুন্নাতের অনুসরণ বা সন্তান লাভের উদ্দেশ্যে হয় তবে সাওয়াবও পাবে। আর যদি শুধুমাত্র স্বাদ গ্রহণ অথবা যৌন উত্তেজনা মিটানোর উদ্দেশ্য হয় তবে সাওয়াব পাবে না। যদিও বিয়ে হয়ে যাবে। (বাহারে শরীয়াত, কিতাবুন নিকাহ, ৭ম খন্ড, ৫৫৯ পৃষ্ঠা থেকে সংকলিত)

বিয়ে করা ফরযও আবার বিয়ে করা হারামও! বিয়ে কখনো ফরয, কখনো ওয়াজিব, কখনো মাকরুহ, আবার অনেক সময় হারামও হয়ে থাকে। আর যদি নিশ্চিত হয় যে, বিয়ে না করার কারণে যেনায় লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বিয়ে করা ফরয। এমন পরিস্থিতিতে বিয়ে না করলে গুনাহগার হবে। যদি মহর ও ভরণপোষণ প্রদানে সামর্থ্য থাকে এবং অতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা এর কারণে যেনা বা কুদৃষ্টি বা হস্তমৈথুনে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে এই পরিস্থিতিতে বিয়ে করা ওয়াজিব। আর যদি না করে তবে গুনাহগার হবে। আর যদি এই আশংকা হয় যে, বিয়ে করার পর ভরণপোষণ ও যাবতীয় প্রয়োজনীয় বিষয়াদী পূর্ণ করতে পারবে না, তবে এই পরিস্থিতিতে বিয়ে করা মাকরুহ। আর যদি এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে, বিয়ে করার পর ভরণপোষণ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস পূরণ করতে পারবে না, তবে বিয়ে করা হারাম এবং জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো কাজ। (এমন পরিস্থিতিতে যৌন উত্তেজনা দমন করার জন্য রোযা রাখার অভ্যাস গড়ন।
(বাহারে শরীয়াত কিতাবুন নিকাহ, ৭ম খন্ড, ৫৫৯ পৃষ্ঠা থেকে সংকলিত)

10-Minute-Madrasah-Group-Join

বিয়ের বিভিন্ন নিয়্যত
রহমতে আলম, নূরে মুজাস্সাম, রাসূলে আকরাম, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন:

অর্থাৎ- মুসলমানের নিয়্যত তার আমল অপেক্ষা উত্তম।” (মু’জামুল কাবীর,
লিত তাবরানী, ৬/১৮৫, হাদীস নং- ৫৯৪২) ভাল নিয়্যত যত বেশি হবে, তার
সাওয়াবও তত বেশি হবে।
শায়খে তরীকত, আমীরে আহলে সুন্নাত হযরত আল্লামা মাওলানা মুহাম্মদ ইল্ইয়াস আত্তার কাদেরী রযবী দামাত বারকাতুহুমুল আলিয়াবলেন: বিবাহকারীর উচিত ভাল ভাল নিয়্যত করে নেওয়া, যাতে অন্যান্য উপকারের সাথে সাথে সে সাওয়াবেরও হকদার হয়ে যায়।

বিয়ের ৯টি নিয়্যত পেশ করা হলো:
(১) রাসূলুল্লাহ্ صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সুন্নাত আদায় করবো,
(২) নেককার মহিলাকে বিয়ে করবো, (৩) সম্ভ্রান্ত বংশ থেকে বিয়ে
করবো। (৪) এটার দ্বারা ঈমান হিফাযত করবো, (৫) এটার দ্বারা
লজ্জাস্থানকে সংরক্ষণ করবো, (৬) নিজেকে কুদৃষ্টি দেওয়া থেকে
বিরত রাখবো,(৭) শুধু স্বাদগ্রহণ বা যৌন চাহিদা মিটানোর জন্য নয়,
নেককার সন্তানের জন্য সহবাস (মিলন) করবো, (৮) মিলনের শুরুতে “بِسۡمِ اللّٰہِ” এবং নির্ধারিত দোয়া পড়বো, (৯) প্রিয় নবী, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর উম্মত বৃদ্ধি করার মাধ্যম হবো।

প্রসিদ্ধ মুফাস্সির, হাকীমুল উম্মত হযরত মুফতি আহমদ ইয়ার খাঁন رَحۡمَۃُ اللّٰہ ِتَعَالٰی عَلَیہِ আমাদের সমাজে বিদ্যমান এই কষ্টের চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে তার নিজের কিতাব “ইসলামী জীন্দেগী” এর ৩৬-৩৯ পৃষ্ঠায় লিখেন: আমি অনেক মুসলমানদেরকে বলতে শুনেছি যে, আমরা দাঁড়িওয়ালা লোকদেরকে আমাদের মেয়ে দিবো না। ছেলে অভিজাত বংশের হতে হবে আর অনেক জায়গায়, আমি আমার চোখে দেখেছি, মেয়ে পক্ষ বরকে দাঁড়ি মুন্ডানোর জন্য দাবি করে থাকে যে, দাঁড়ি মুন্ডিয়ে ফেলো, তবে মেয়ে দেবো। অতঃপর ছেলেরা দাঁড়ি মুন্ডিয়ে ফেলে। কতই বা দুঃখের কথা শোনাব? এটাও বলতে শোনা যায় যে, নামাযী ছেলেকে মেয়ে দেবো না, সে তো মসজিদের মোল্লা, আমাদের মেয়ের আশা-আকাংখা পূরণ করবে না। মেয়ে পক্ষের উচিত, বরের তিনটি বিষয় দেখা- প্রথমত: সুস্থ সবল হওয়া, কেননা জীবনটা নির্ভর করে সুস্থতার উপর। দ্বিতীয়ত: তার চাল-চলন ভাল
হওয়া, দুশ্চরিত্রবান না হওয়া, ভদ্র হওয়া। তৃতীয়ত: ছেলে কর্মঠ ও উপর্জনকারী হবে, যেন উপার্জন করে নিজের স্ত্রী ও সন্তাদের লালন পালন করতে পারে। সম্পদশালীতার কোন ভরসা নেই। কেননা, তা হলো চলাচলকারী চাঁদের আলোর মতো। হাদীসে পাকের মধ্যে বর্ণি রয়েছে: “বিয়ের মধ্যে কেউ সম্পদ দেখে, আর কেউ দেখে সৌন্দর্য্য। কিন্তু, তোমরা ধার্মিকতাকে প্রাধান্য দাও।”(সহীহ মুসলিম, কিতাবুর রিদা, বাবু ইস্তিহবাবুন নিজাহ, ৭৭২ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৭১৫) এটাও স্মরণ
রাখবেন! মাওলানা ও ধার্মিকদের স্ত্রীরা ফ্যাশনকারীদের স্ত্রীদের চেয়েও বেশি সুখে থাকে। (প্রথমত) এই জন্য যে, দ্বীনদার লোকেরা আল্লাহ্ তায়ালার ভয়ে বউ বাচ্চার অধিকার সর্ম্পকে ভাল করে জানেন। (দ্বিতীয়ত) দ্বীনদার লোকদের দৃষ্টি শুধুমাত্র তার স্ত্রীর প্রতি থাকে। পক্ষান্তরে স্বাধীন লোকদের ঞবসঢ়ড়ৎধৎু অর্থাৎ ক্ষণস্থায়ী স্ত্রী অনেক হয়ে থাকে। যা দিন রাত সচরাচর দেখা যাচ্ছে। সে ফুলের ঘ্রাণ নেয় আর প্রত্যেক বাগানে যায়। কিছুদিন নিজের স্ত্রীকে ভালবাসে। তারপর আবার চোখ ফিরিয়ে নেয়। (ইসলামী জিন্দেগী, ৩৬, ৩৯ পৃষ্ঠা সারসংক্ষেপ)

বিবাহে সংগঠিত হয় এমন বিভিন্ন অনর্থক প্রথা
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আজ কাল আমাদের সমাজে বিবাহ অনুষ্ঠানে কিছু নাজায়েজ ও অনর্থক প্রথা এমনভাবে প্রচলিত হয়ে
গেছে, যেগুলো ব্যতিত অনুষ্ঠান অসম্পূর্ণ মনে করা হয়। আমীরে আহলে সুন্নাতের বিবাহ অনুষ্ঠানে সংগঠিত হওয়া এমন
গুনাহ চিহ্নিত করে তাঁর রিসালা “গান বাজনার ভয়াবহতা”য় লিখেন: আফসোস! শতকোটি আফসোস! বর্তমান সময়ের বিবাহে
প্রিয় প্রিয় সুন্নাত অসংখ্য গুনাহের মাঝে ডুবে গিয়েছে। বিভিন্ন অনর্থক প্রথা তার স্থান দখল করে নিয়েছে। আল্লাহ্র পানাহ! অবস্থার এত অধঃপতন হয়েছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত অনেক হারাম কাজ করা হবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত বিবাহের সুন্নাত আদায় হতেই পারে না। উদাহরণস্বরূপ বাগদানের প্রথাই ধরা যাক। এতে ছেলে নিজের হাতে মেয়েকে আংটি পরিয়ে থাকে। অথচ এটা হারাম এবং জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো কাজ। বিবাহের দিন ছেলে তার হাতে মেহেদী দিয়ে থাকে। এটাও হারাম। পুরুষ ও মহিলা সম্মিলিতভাবে দাওয়াত করা হয়। কোথাও আবার নামে মাত্র পর্দা দেওয়া হয়। কিন্তু পুনরায় পুরুষ মহিলা একে অপরের মাঝে প্রবেশ করে খাবার বন্টন করে। ভিডিও কিলিপ তৈরী করে। সুন্দর সুন্দর ছবি উত্তোলনকারীদের আল্লাহ্ তায়ালার শাস্তির ভয় করা উচিত। আমার আক্বা আ’লা হযরত ِرَحۡمَۃُ اللّٰہ ِتَعَالٰی عَلَیہِ বর্ণনা
করেন: রাসূলুল্লাহ্ صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “প্রত্যেক ছবি প্রস্তুতকারী জাহান্নামে, আর প্রত্যেক ছবির পরিবর্তে যা সে তৈরী করেছিল, আল্লাহ্ তায়ালা একটি মাখলুক সৃষ্টি করবেন, যে তাকে শাস্তি দিবে।”
(ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ২১তম খন্ড, ৪২৭ পৃষ্ঠা, রযা ফাউন্ডেশন, মারকাযুল আউলিয়া, লাহোর)
আহ! বিবাহের মধ্যে ফ্যাশনের ছড়াছড়ি খুব বেশি লক্ষ্য করা হয়, বংশের যুবতী মহিলারা খুব নাচ গান করে আর চেচামেচি করে উল্লাস করে। ঐ সময় পুরুষও কোন প্রকার সংকোচ ছাড়া ভিতরে আসা যাওয়া করে। পুরুষ ও মহিলারা মন ভরে কুদৃষ্টি দিয়ে থাকে, ফলে চোখের যেনা হয়ে থাকে। না আছে আল্লাহ্ তায়ালা ভয়, না আছে প্রিয় মুস্তফা صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: চোখের যেনা দেখা, কানের যেনা শুনা, মুখের যেনা হলো বলা আর হাতের যেনা হলো স্পর্শ করা।” (মুসলিম শরীফ, ১৪২৮ পৃষ্ঠা, হাদীস: ২৬৫৭) মনে রাখবেন! পর পুরুষ পর নারীকে অথবা পরনারী পরপুরুষকে যৌন উত্তেজনা সহকারে দেখা, এটা হারাম আর উভয়ের জন্য এটা জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মত কাজ।

নাফরমানির অশুভ পরিণতি
ফিল্ম রেকডিং (ভিডিও করা) ছাড়া আজকাল হয়তবা কোথাও বিবাহ হয়ে থাকে। কেউ যদি বুঝাতে চান তবে জবাব আসে, বাহ সাহেব! আল্লাহ্ তায়ালা প্রথমে মেয়ের খুশী দেখালেন আর গান বাজনা করবো না, ব্যস! আনন্দের সময় সব কিছু চলে। আল্লাহ্র পানাহ! ওহে মূর্খরা! আনন্দের সময় আল্লাহ্ তায়ালার শোকরিয়া আদায় করতে হয়। আনন্দ যত বড়ই হোক, নাফরমানী করা যাবে না। কখনো যেনো এমন না হয়ে যায় যে, ঐ নাফরমানির অশুভ পরিণতির কারণে একমাত্র মেয়ে কনে হওয়ার অষ্ঠম দিনেই বাপের বাড়িতে ফিরে আসে। আর আট দিন পর তিন তালাকপত্র এসে পৌঁছে। আর সব আনন্দ ধূলায় মিশে যায়। অথবা ধূমধাম করে নাচগানের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিয়ে হওয়া কনে নয় মাস পরে প্রথম প্রসূতিতে মৃতে্যুর ঘাটে এসে পৌঁছে। আহ! শত-হাজার আফসোস! বিবাহের আনন্দের মধ্যে গান বাজনা করে গুনাহকারীরা! কান খুলে শোনো! হাদীসে পাকের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে: দুই আওয়াজের উপর দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশাপ রয়েছে (১) নেয়ামতের সময় বাদ্যযন্ত্র বাজানো। (২) মুছিবতের সময় চিৎকার করা। (কানযুল উম্মাল, ১৫ খন্ড, ৯৫ পৃষ্ঠা, হাদীস- ৪০৬৫৪, দারুল কিতাবুল ইলমিয়া, বৈরুত, গান-বাজনার ভয়াবহতা, ৭-১৩ পৃষ্ঠা)
বরকতময় বিবাহ
উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা رَضِیَ اللہُ تَعَالٰی عَنۡہَا বর্ণিত; আমার মাথার তাজ, সাহিবে মে’রাজ, হুযুর صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “বড়ই বরকতময় বিবাহ হলো ঐটাই, যার মধ্যে বোঝা কম হয়।” (মুসনদে আহমদ, ৯ম খন্ড, ৩৬৫ পৃষ্ঠা, হাদীস: ২৪৫৮৩)

হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন رَحۡمَۃُ اللّٰہ ِتَعَالٰی عَلَیہِ মিরআতুল মানাজিহের মধ্যে এই হাদিসের প্রসঙ্গে লিখেন: অর্থাৎ যে বিবাহে উভয় পক্ষের খরচ কম করা হয়, মহর অল্প হবে, উপহার যেন ভারী না হয়, কোন পক্ষেই যেন ঋণগ্রস্থ হয়ে না যায়। কারো পক্ষ থেকে যেন শর্ত কঠিন হয়ে না যায়। যদি আল্লাহ্ তায়ালার উপর ভরসার করে মেয়ে দেওয়া হয়। সে বিবাহই অধিক বরকতময় হয়ে থাকে আর এই ধরণের বিয়ে ঘরকে আলোকিত করে। আজ আমরা বিভিন্ন হারাম প্রথা, অহেতুক প্রচলনের কারণে বিবাহের ঘরকে ধ্বংস করছি। বরং অনেক ঘরের জন্য ধ্বংসের কারণ হিসেবে প্রস্তুত করছি। আল্লাহ্ তায়ালা এই হাদীসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুক। (মিরআতুল মানাজীহ, ৫ম খন্ড, ১১ পৃষ্ঠা)