চল্লিশ হাদিস মুখস্ত করার ফযিলত পর্ব-২

2
649
চল্লিশ হাদিস মুখস্ত করার ফযিলত পর্ব-২ | 10 Minute Madrasah
চল্লিশ হাদিস মুখস্ত করার ফযিলত পর্ব-২ | 10 Minute Madrasah
Reading Time: 3 minutes

চল্লিশ হাদিস মুখস্ত করার ফযিলত পর্ব-২

২য় হাদিসঃ ইসলামের ভিত্তী পাচঁটি
عَنْ‏ ‏ابْنِ   عُمَرَ‏ ‏رَضِيَ  اللَّهُ   عَنْهُ  ‏  ‏قَالَ  قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ‏ﷺ ‏بُنِيَ الْإِسْلَامُ  عَلَى  خَمْسٍ  شَهَادَةِ أَنْ  لَا  إِلَهَ  إِلَّا اللَّهُ  وَأَنَّ  ‏مُحَمَّدًا   رَسُولُ اللَّهِ  وَإِقَامِ الصَّلَاةِ    وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالْحَجِّ  وَصَوْمِ رَمَضَانَ. (متفق عليه)

উচ্চারণ:  ‘আন ইবনে ওমারা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ক্বালা, ক্বালা  রাসুলুল্লাহি ﷺ   বুনিয়াল ইসলামু আলা খামছিন, শাহাদাতি  ‘আন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু  ওয়ান্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহি      ওয়া    ইকামিস    সালাতি      ওয়া     ইতায়িজ যাকাতি       ওয়াল       হাজ্জা       ওয়া       সাওমি       রামাদান।  (মুত্তাফাক্বুন আলাইহি)

অনুবাদ: ইবনে ওমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। নবী  ﷺ এরশাদ  করেন-  ইসলামের ভিত্তী  পাচটি,  ১: সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, এবং মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর রাসুল, ২:  নামাজ কায়েম করা, ৩: যাকাত    প্রদান  করা, ৪:  হজ্ব  আদায় করা এবং ৫: রমাজানে রোযা পালন করা।

[সহীহ    বুখারী,   অধ্যায়:  অজু,   ৪/১৬৪১   হা:  ৪২৪৩; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ১/৪৫ হা: ১৬]

৩য় হাদিসঃ ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য তিনটি

عن أَنسٍ رضي اللَّه عنه عن النبي ﷺ قال:  ثَلاثٌ مَنْ كُنَّ   فِيهِ   وَجَدَ   بِهِنَّ    حَلاَوَةَ   الإِيَمَانِ:    أَنْ   يَكُونَ    اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَبَّ  إِلَيْهِ مِمَّا سِواهُما، وأَنْ يُحِبَّ المَرْءَ  لا يُحِبُّهُ إِلاَّ للَّهِ، وَأَنْ يَكْرَه أَنْ يَعُودَ   في الكُفْرِ  بَعْدَ أَنْ أَنْقَذَهُ اللَّهُ  مِنْهُ، كَمَا يَكْرَهُ أَنْ يُقْذَفَ في النَّارِ. (متفق عليه)

10-Minute-Madrasah-Group-Join
উচ্চারণঃ    ‘আন    আনাসি    রাদিয়াল্লাহু    ‘আনহু    আনিন  নাবিয়্যি  ﷺ ক্বালা: সালাসুন মান  কুন্না ফিহি ওয়াজাদা বিহিন্না  হালাওয়াতাল  ঈমান:     আন   ইয়াকুনাল্লাহু  ওয়া রাসূলুহু    আহাব্বা    ইলাইহি   মিম্মা    সিওয়াহুমা,   ওয়ান  ইউহিব্বুল    মারআ      লা    ইউহিব্বুহু     ইল্লাল্লাহা,      ওয়ান ইয়াকরাহা    ‘আন    ইয়াউদা    ফিল      কুফরি   বা’দা   আন আনক্বাযাহুল্লাহু মিনহু, কামা ইয়াকরাহু আন ইউক্বযাফা ফিন নার। (মুত্তাফাক্বুন আলাইহি)
অনুবাদ: হযরত  আনাস   (রাদ্বিয়াল্লাহু  তা’আলা  আনহু) থেকে    বর্ণিত।    তিনি      বলেন-    নবীজী     ﷺ    এরশাদ করেন,    যার    মধ্যে     তিনটি      বৈশিষ্ট     থাকবে    সে    ঐ বৈশিষ্টের  কারণে ঈমানের  স্বাদ লাভ করবে। সেগুলো  হলোঃ    ১-   যার   নিকট    আল্লাহ   ও   তাঁর    রাসুল   অন্য সবকিছুর   চাইতে   প্রিয়   হবে,    ২-    যে   ব্যক্তি   কাউকে শুধুমাত্র আল্লাহর  সন্তুষ্টির জন্যেই ভালোবাসবে, ৩- যে ব্যক্তি আল্লাহর অনুগ্রহে কুফর থেকে মুক্তি  লাভের পর পুনরায় কুফুরীতে ফিরে যাওয়াকে এমনভাবে  অপছন্দ করবে,      যেমনিভাবে      অগ্নিকুন্ডে      নিক্ষিপ্ত      হওয়াকে  অপছন্দ করে।
[সহীহ বুখারী, অধ্যায়: ঈমান ১/১৪ হা: ১৬, ১/১৬ হা: ২১;   সহীহ    মুসলিম,   অধ্যায়   ঈমান   ১/৬৬    হা:   ৪৩; সুনানে  তিরমিজি,  অধ্যায়    ঈমান  হা:  নং  ১০;  সুনানে নাসাঈ ৮/৯৪ হা: ৪৯৮৭]

৪র্থ        হাদিসঃ      আল্লাহ        ও      তার      রাসুলকে ভালোবাসার প্রতিদান

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ : جَاءَ أَعْرَابِيا  قَالَ لرَسُولُ اللَّهِ ‏ ﷺ،  مَتَى  السَّاعَةُ  ؟  قَالَ  :  وَمَاذَا  أَعْدَدْتَ  لَهَا  ؟  قَالَ  حِبُّ اللَّهَ وَرَسُو له، قَالَ : فَأَنْتَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ

উচ্চারণ:  ‘আন   আনাসিন  ইবনে  মালেক  ক্বালা   জা’আ আ’রাবিয়্যা  ক্বালা লিরাসুলাল্লাহি  ﷺ মাতাস   সা’আ   ? ক্বালা ওয়া  মাজা আ’দাত্তা লাহা? ক্বালা হুব্বুল্লাহি  ওয়া   রাসুলাহু, ক্বালা: ফা ‘আনতা মাআ মান আহবাবতা।

অনুবাদ:   হযরত  আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু   তা’আলা আনহু) থেকে   বর্ণিত।    তিনি   বলেন-  নবীজী   ﷺ  এর    নিকট একজন   আরব  আসল    এবং  জিজ্ঞাস  করল    কিয়ামত কখন   হবে?    নবীজী    ﷺ    বললেন,    তুমি   কী    অর্জন করেছ?   সে     বলল    আমি   আল্লাহ   ও   তাঁর     রাসুলকে ভালোবাসি। নবীজী ﷺ এরশাদ  করলেন, তুমি  যাকে ভালোবাস তার সাথেই তোমার হাশর হবে।

[সহীহ বুখারী, অধ্যায়: সাহাবীদের ফাযায়েল ৩/১৩৪৯ হা:   ৩৪৮৫; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: আদব  ৪/২০৩২   হা: ২৬৩৯;  সুনানে তিরমিজি,  অধ্যায়:   যুহুদ   ৪/৫৯৫ হা: ২৩৮৫]

৫ম      হাদিসঃ      নবী     ﷺ     এর     ভালোবাসাই ঈমানের মূল

عَنْ  أَنَسٍ  رَضِيَ اللّه عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قال:   لا يُؤْمِنُ  أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكونَ أحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِه وَالنَّاسِ أَجْمَعينَ . (متفق عليه)

উচ্চারণ:   ‘আন   আনাসিন   রাদিয়াল্লাহু   ‘আনহু   ’আনিন  নাবিয়্যি ﷺ ক্বালা: লা ইউমিনু আহাদুকুম হাত্তা আকুনা আহাব্বা ইলাইহি মিন ওয়ালিদিহী ওয়া ওলাদিহি ওয়ান নাসি আজমাঈন। (মুত্তাফাক্বুন আলাইহি)

অনুবাদ:  হযরত আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু  তা’আলা    আনহু) থেকে      বর্ণিত।    তিনি    বলেন-     নবীজী    ﷺ    এরশাদ করেন,    তোমরা    কেউ    ঈমানদার    হতে    পারবে    না,  যতক্ষণ  পর্যন্ত  না   আমি  তার  নিকট  তার  পিতা-মাতা,  সন্তান-সন্ততি   এবং   সকল   মানুষ   হতে   সর্বাধিক   প্রিয়  হব।

[সহীহ   বুখারী,   অধ্যায়:   ঈমান   ১/১৪  হা:  ১৫;   সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ১/৬৭ হা: ৪৪]

৬ষ্ঠ হাদিসঃ সর্বোত্তম আমল
عَنْ   أَبِي   ذَرٍّ،  قَالَ   قَالَ  رَسُولُ    اللَّهِ  ﷺ  ‏أَفْضَلُ  الأَعْمَالِ الْحُبُّ فِي اللَّهِ وَالْبُغْضُ فِي اللَّهِ

উচ্চারণ:  ‘আন  আবি   যার  রাদিয়াল্লাহু  তায়ালা   ‘আনহু ক্বালা, ক্বালা রাসূলুল্লাহি  ﷺ ”আফযালুল  আমালী  হুব্বু ফিল্লাহি ওয়াল বুগদু ফিল্লাহি”।

অনুবাদ:  হযরত আবু যর (রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) থেকে     বর্ণিত।    তিনি     বলেন-    নবীজী     ﷺ    এরশাদ করেন, সর্বোত্তম  আমল  হচ্ছে, আল্লাহর   সন্তুষ্টির   জন্য কাউকে    ভালোবাসা     এবং    আল্লাহর    সন্তুষ্টির     জন্যই কাউকে অপছন্দ করা।

[সুনানে আবু দাউদ, অধ্যায় সুন্নাহ ৪/১৯৮ হা: ৪৫৯৯; মুসনাদে   আহমদ   বিন     হাম্বল   ৫/১৪৬   হা:   ২১৩৪১; মুসতাদে বাযযার ৯/৪৬১ হা: ৪০৭৬]

৭ তম  হাদিসঃ  দুনিয়াটা  মুমিন  ও  কাফেরের  জন্য কেমন?
عَنْ أَبِي  هُرَيْرَةَ   قَالَ  : قَالَ   رَسُولُ  اللَّهِ  ﷺ الدُّنْيَا سِجْنُ الْمُؤْمِنِ وَجَنَّةُ الْكَافِرِ

উচ্চারণ:  ‘আন  আবি    হুরাইরাতা   রাদিয়াল্লাহু  তায়ালা  ‘আনহু    ক্বালা:    ক্বালা    রাসূলুল্লাহি    ﷺ    ”আদ    দুনিয়া  সিজনুল মু’মিনি ওয়া জান্নাতুল কাফিরি”।

অনুবাদ:  হযরত  আবু  হুরায়রাহ  (রাদ্বিয়াল্লাহু  তা’আলা  আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- নবীজী ﷺ এরশাদ করেন,    দুনিয়াটা    ঈমানদারের    জন্য   কারাগার   আর  কাফেরের জন্য জান্নাত।

[সহীহ  মুসলিম,  অধ্যায়   যুহুদ   ৪/২২৭২  হা:    ২৯৫৬; সুনানে তিরমিজি, অধ্যায় যুহুদ ৪/৫৬২ হা: ২৩২৪;
সুনানে   ইবনে   মাজাহ,    অধ্যায়:    যুহুদ   ২/১৩৭৮   হা: ৪১১৩]

৮ম হাদিসঃ সর্বোত্তম ব্যক্তি

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ : قِيلَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَكْرَمُ النَّاسِ ؟ قَالَ : أَتْقَاهُم

উচ্চারণ:     ‘আন   আবি   হুরাইরাতা    রাদিয়াল্লাহু   ‘আনহু ক্বালা,  ক্বীলাঃ  ইয়া  রাসূলাল্লাহি  মান  আকরামুন  নাস?  ক্বালা: আতকাহুম।

অনুবাদ:  হযরত  আবু  হুরায়রাহ  (রাদ্বিয়াল্লাহু  তা’আলা  আনহু)    থেকে   বর্ণিত।    তিনি  বলেন-   নবীজী  ﷺ  কে জিজ্ঞাস   করা   হলো,  সর্বোত্তম ব্যক্তি কে?  নবীজী ﷺ এরশাদ করেন, যে মুত্তাকি (আল্লাহ ভীরু)।

[সহীহ বুখারী,  অধ্যায়: আম্বিয়া,  ৩/১২২৪ হা: ৩১৭৫; অধ্যায় মানাকিব ৩/১২৮৭ হা:   ৩৩০১; সহীহ বুখারী,  অনুচ্ছেদ: ফাযায়েল, ৪/১৮৪৬  হা: ২৩৭৮; মুসান্নাফে  ইবনে   আবি  শাইবা,   ৬/৩৪৭  হা:  ৩১৯১৯;  মুসনাদে  আহমদ বিন হাম্বল ২/৪৩১ হা: ৯৫৬৪]

৯ম হাদিসঃ ইহসানের পরিচয়

عَنْ  أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ  قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ  الْإِحْسَانُ أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ

উচ্চারণ:   ‘আন   আনাস    ইবনে    মালেক   ক্বালা,    ক্বালা রাসূলুল্লাহি     ﷺ     আল      ইহসানু        ‘আন     তা’বুদাল্লাহা কাআন্নাকা   তারাহু ফাইন লাম তাকুন তারাহু  ফাইন্নাহু  ইয়ারাক।

অনুবাদ:   হযরত আনাস   (রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা  আনহু) থেকে     বর্ণিত।     তিনি    বলেন-     নবীজী    ﷺ    এরশাদ করেন, ইহসান হচ্ছে তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদাত করবে  যেন  তুমি  আল্লাহকে  দেখছ।  আর  যদিও  তুমি  তাঁকে    দেখতে    না   পাও,    তুমি   মনে   করবে,   আল্লাহ অবশ্যই তোমাকে দেখছেন।

[মুসনাদে  ইবনে   রাবিহ,  ১/৪২     হা:  ৫৬  ইবনে  রজব হাম্বলি কৃত জা’মিউল উলুম ওয়াল হিকাম ১/৩৬]

১০ম  হাদিসঃ   নবীজী    ﷺ  এর   রাত্রিকালীন  কঠোর ইবাদত

عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ  ﷺ كَانَ يَقُومُ مِنَ      اللَّيْلِ   حَتَّى   تَتَفَطَّرَ     قَدَمَاهُ،   فَقَالَتْ   عَائِشَةُ:   لِمَ تَصْنَعُ هَذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَقَدْ غَفَرَ اللَّهُ لَكَ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ  وَمَا    تَأَخَّرَ؟    قَالَ:  «أَفَلاَ   أُحِبُّ   أَنْ  أَكُونَ  عَبْدًا  شَكُورًا

উচ্চারণ:   ‘আন  ’আয়িশাতা রাদিয়াল্লাহা  ‘আনহা:  আন্না নাবিয়াল্লাহি   ﷺ   কানা   ইয়াকুমু   মিনাল   লাইলি   হাত্তা  তাতাফাত্তারা    ক্বাদামাহু    ফাক্বালাত    ‘আয়িশাতা   লিমা তাসনাউ  হাযা ইয়া রাসূলুল্লাহি,  ওয়া কাদ  গাফারাল্লাহু লাকা মিন যাম্বিকা ওয়ামা তাআক্ষারা? ক্বালা:  আফালা উহিব্বু ‘আন আকুনা আবদান শাকুরান।

অনুবাদ: হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা)   থেকে বর্ণিত।   তিনি  বলেন নবীজী ﷺ  রাতে  ইবাদতের  জন্য  এমনভাবে  দন্ডায়মান  থাকতেন    যে, তাঁর পা মোবারক ফুলে যেত। হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাদ্বিয়াল্লাহু    তা’আলা    আনহা)    আরজ    করলেন,    হে  আল্লাহর রাসুল! কেন আপনি এমনটা করছেন, যেখানে আল্লাহ পাক  আপনার পূর্বাপর সকল  ক্রুটি   ক্ষমা  করে  দিয়েছেন।     নবীজী   এরশাদ    করলেন,   আমিকি   এটা  পছন্দ    করবনা   যে,   আমি    শুকরগুজার   বান্দাহ   হই? (সহীহ বুখারী, ও সহীহ মুসলিম)

[সহীহ বুখারী, অধ্যায় তাফসির ৪/১৮৩০   হা:  ১৮৩০  হা:   ৪৫৫৭; সহীহ  মুসলিম,  অধ্যায় কিয়ামত,  জান্নাত ও   জাহান্নামের   বৈশিষ্ট   4/২১৭২;   সুনানে   তিরমিজি,  অধ্যায়: সালাত ২/২৬৮ হা: ৪১২]